ঢাকা | বঙ্গাব্দ

ভারতে বিক্ষোভ দমনে সাংবাদিক আটকের নেপথ্যে কী

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Oct 18, 2026 ইং
ভারতে বিক্ষোভ দমনে সাংবাদিক আটকের নেপথ্যে কী ছবির ক্যাপশন:
ad728

নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর

শনিবার ককরোচ জনতা পার্টি ও বামপন্থী ছাত্রসংগঠনগুলোর ভোট কারচুপিবیرোধী বিক্ষোভ দমনে সর্বাত্মক পদক্ষেপ গ্রহণ করে নরেন্দ্র মোদি প্রশাসন। এই প্রক্রিয়ায় আন্দোলনকারীদের পাশাপাশি বেশ কজন গণমাধ্যমকর্মীকেও গ্রেপ্তার করা হয় এবং পুলিশের মারধরের শিকার হন কেউ কেউ।

পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় সাংবাদিকদের ওপর এমন ধরপাকড়ের সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো স্পষ্ট নয়। তবে পরিস্থিতি ইঙ্গিত দেয় যে, পুলিশের এই অভিযানে সরকারের সমর্থক কোনো সংবাদমাধ্যম বা তাদের কর্মীদের নিশানা করা হয়নি।

অন্যদিকে, বিক্ষোভকারীদের রোষানলে পড়ে হেনস্তার শিকার হয়েছেন বিজেপি সরকারপন্থী বলে পরিচিত ‘গোদি মিডিয়া’র সংবাদকর্মীরা। ভারতে সরকারঘেঁষা গণমাধ্যমকে এই ব্যঙ্গাত্মক নামে অভিহিত করা হয়।

এমন ঘটনা প্রথম নয়; গত জুলাইয়ে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে চলা তারুণ্যের বিক্ষোভেও একই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল। পরিস্থিতি এমন হয়েছিল যে, সরকারি ঘরানার টেলিভিশনগুলোর জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকেরা খবর সংগ্রহকালে নিজেদের পরিচয় গোপন রাখতে বাধ্য হন এবং লোগোযুক্ত মাইক ব্যবহার এড়িয়ে চলেন।

ভারতের গণমাধ্যম কীভাবে ‘গোদি মিডিয়া’ ও স্বাধীন ধারা—এই দুই ভাগে বিভক্ত হলো এবং কেন সরকারের অনুগত সংবাদমাধ্যমের ওপর জনসাধারণের এ ধরনের তীব্র ক্ষোভ জন্মেছে, তা বর্তমান প্রেক্ষাপটে বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এই পরিস্থিতির শিকড় খুঁজতে গেলে ইউপিএ সরকারের শেষ দিনগুলোতে নজর দিতে হবে। ২০১১ সাল থেকে তৎকালীন কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন জোট সরকার তীব্র সংবাদমাধ্যমের সমালোচনার মুখে পড়েছিল, যার অন্যতম কারণ ছিল সরকারের নিজেদের দুর্বল নিয়ন্ত্রণ ও মন্ত্রী-আমলাদের অভ্যন্তরীণ কোন্দল।

সূত্র: জাতীয় দৈনিক আমার সকাল টিম।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
সমাজ ও রাষ্ট্রের সর্বস্তরে ইসলাম প্রতিষ্ঠায় দাওয়াহর গুরুত্ব

সমাজ ও রাষ্ট্রের সর্বস্তরে ইসলাম প্রতিষ্ঠায় দাওয়াহর গুরুত্ব