নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
হাসপাতালের তৎকালীন আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা রকিবুল আলম চয়ন জানান, ২০২২ সালের দিকে এনএসআইয়ের বিশেষ তত্ত্বাবধানে এবং তাদের সঙ্গে সম্পৃক্ত লোকবলের মাধ্যমে প্ল্যান্টটি পরিচালিত হতো। এটি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত চাহিদাপত্রের ভিত্তিতে আসেনি এবং সে সময় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট তদারকি সংস্থার নিজস্ব লোকজনের মাধ্যমে এটি চালু রাখা হয়েছিল।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক প্রেক্ষাপটে পরিবর্তন আসার পর থেকেই সেই টেকনিশিয়ানদের যাতায়াত পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। যন্ত্রটিতে বড় ধরনের কোনো জটিলতা নেই এবং দক্ষ কারিগরি দল ও অপারেটর নিয়োগ করা হলে অল্প কয়েক দিনের মধ্যেই এটি আবার চালু করা সম্ভব।
তবে তিনি স্পষ্ট করেন যে, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের নিজেদের একার সামর্থ্যে এই প্ল্যান্ট সচল রাখা সম্ভব নয়। অথচ এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যবস্থা অকেজো থাকায় চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
হাসপাতালের মেডিসিন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন এক রোগীর স্বজন আকবর আলী বলেন, সংকটময় মুহূর্তে অক্সিজেনের প্রয়োজন পড়লেও তাঁরা সবসময় আতঙ্কিত থাকেন। মূল কেন্দ্রীয় অক্সিজেনে হঠাৎ কোনো ত্রুটি দেখা দিলে বিকল্প হিসেবে এই প্ল্যান্টের জরুরি সহায়তা বড় ভরসার জায়গা হতে পারত।
অপর এক রোগীর স্বজন সুলতানা পারভীন বলেন, পরিবেশ থেকে অক্সিজেন উৎপাদনের এই আধুনিক ব্যবস্থা চালু থাকলে জরুরি মুহূর্তে রোগীরা কোনো বাধা ছাড়াই সেবা পেতেন। এমন একটি বড় জরুরি সহায়ক ব্যবস্থা বন্ধ রেখে রোগীদের জীবন ঝুঁকির মুখে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে।
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর