ঢাকা | বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশ ও ফ্রান্সের সঙ্গে ভারতের তুলনা অর্থহীন: শশী থারুর

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Oct 19, 2026 ইং
বাংলাদেশ ও ফ্রান্সের সঙ্গে ভারতের তুলনা অর্থহীন: শশী থারুর ছবির ক্যাপশন:
ad728

নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর

ভারতের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে সাম্প্রতিক তুলনার তীব্র আপত্তি জানিয়েছেন কংগ্রেস নেতা শশী থারুর। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন যে, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশ কিংবা ফ্রান্সের কোনো তুলনাই চলে না এবং এ ধরনের সমীকরণের পেছনে কোনো যৌক্তিক ভিত্তি নেই। ফ্রান্সে বাস কিংবা থানা পোড়ানোর মতো যে ধরনের ধ্বংসাত্মক সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে, সেগুলোর প্রতি তাদের দল কখনোই সমর্থন জানায় না। তাদের আন্দোলন সবসময় শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের ওপর প্রতিষ্ঠিত এবং সরকার বদল বা 'রেজিম চেঞ্জ' কথাটিকে অপ্রাসঙ্গিকভাবে বিকৃত করার কোনো অর্থ তৈরি হয় না। তাদের একমাত্র মূল দাবি হলো একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করা।

ভোটার তালিকার নানাবিধ অনিয়মের প্রসঙ্গ টেনে থারুর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন যে, একটি অত্যন্ত বিশৃঙ্খল, নিয়মবহির্ভূত এবং আংশিকভাবে অবৈধ পদ্ধতির মধ্য দিয়ে বিশাল সংখ্যক নাগরিককে ভোটার তালিকা থেকে অন্যায়ভাবে বাদ দেওয়া হয়েছে। তারা কেবল এই সমস্ত গুরুতর ভুলত্রুটিগুলো সংশোধন করার জোরালো দাবি জানাচ্ছেন। এটি সম্পূর্ণভাবেই একটি সাংবিধানিক বিষয় এবং এর পেছনে সরকারকে গদিচ্যুত করার কোনো ষড়যন্ত্র নেই।

নির্বাচন কমিশনের কার্যক্রমের সমালোচনা করে শশী থারুর আরও মন্তব্য করেন যে, গণতন্ত্র কোনো দয়া বা উপঢৌকন নয়, বরং দেশের সাধারণ মানুষই এর আসল রক্ষক। তারা নির্বাচন কমিশনের মতো গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে সংবিধানের নিয়ম মেনে তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করার তাগিদ দিচ্ছেন। তারা এই প্রতিষ্ঠানগুলোর অস্তিত্বকে অস্বীকার করছেন না, বরং তাদের কার্যপদ্ধতি ও আচরণের প্রতিবাদ করছেন।

এর আগে ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং কংগ্রেস এবং তাদের মিত্র দলগুলোর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উত্থাপন করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন যে, বাংলাদেশে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া আন্দোলনের আদলে তরুণ সমাজকে ব্যবহার করে দেশে এক ধরনের নৈরাজ্য ও অস্থিরতা সৃষ্টির পাঁয়তারা চলছে।

প্রতিরক্ষামন্ত্রীর এই বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন রাজ্যসভার সাংসদ কপিল সিবাল। তিনি রাজনাথ সিংয়ের ওই অভিযোগগুলোকে পুরোপুরি ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়ে বলেন যে, দেশের সাধারণ মানুষ বাস্তবে বর্তমান সরকারের পরিবর্তন দেখতে উদগ্রীব এবং এই প্রশাসনের ক্ষমতা ছেড়ে বিদায় নেওয়ার সময় ইতোমধ্যে ঘনিয়ে এসেছে।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ