নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
গত শনিবার জামাল পালোয়ানকে আটক করে মারধর এবং পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন জেলেরা। চাঁদাবাজির নানা অভিযোগ তোলার পর নোমরহাট খেয়াঘাটের দক্ষিণ পাড়ে তাঁকে নিয়ে গিয়ে এই মারধরের ঘটনা ঘটে। অবশ্য সে সময় স্থানীয় এক বিএনপি নেতার সুপারিশের কারণে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল।
ওই ঘটনার বদলা নিতেই রোববার রাত আটটার দিকে জামাল পালোয়ান ও তাঁর সহযোগী স্বপন পালোয়ানের নেতৃত্বে ৮ থেকে ১০ জনের একটি সশস্ত্র দল জয়ন্তী নদীতে অবস্থানরত জেলেদের ওপর হঠাৎ আক্রমণ চালায়। আক্রমণকারীরা সেই সময় ৩২ থেকে ৩৫টি হাতবোমা ফাটিয়ে এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করে।
এসব হাতবোমার বিকট শব্দে পুরো অঞ্চলে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং বোমার আঘাতে ঘটনাস্থলেই পাঁচজন জেলের শরীর রক্তাক্ত ও দগ্ধ হয়।
হামলার পরপরই স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন এবং আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
হাসপাতালে নেওয়ার পর অবস্থার অবনতি ঘটায় ট্রলারচালক আজিজুল খানকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে স্থানান্তর করা হয়।
এছাড়া আহত অপর জেলে জহিরুল ইসলামকেও উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন হওয়ায় বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর