নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
দক্ষিণ গিজার পাবলিক প্রসিকিউশন কার্যালয় পুলিশি তদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর এই রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় কোনো ধরনের অপরাধমূলক সংশ্লিষ্টতার অস্তিত্ব পায়নি।
সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্মকর্তারা সব ধরনের প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পাশাপাশি চূড়ান্ত ফরেনসিক প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পরই অবশেষ দেহাবশেষ দাফন করার আনুষ্ঠানিক অনুমতি প্রদান করেন।
কিন্তু দীর্ঘ প্রায় তিন বছর ধরে একজন মানুষের মৃতদেহ কীভাবে সম্পূর্ণ নিজ বাসায় এভাবে পড়ে থাকতে পারল, সেই প্রশ্নটি এখন জনমনে তীব্র আলোড়ন ও বিস্ময়ের সৃষ্টি করেছে।
ওই ফ্ল্যাটে মৃত নারী একজন চিকিৎসক হিসেবে সম্পূর্ণ একা বসবাস করতেন এবং তাঁর দীর্ঘ অনুপস্থিতি কিংবা দীর্ঘসময় ধরে যোগাযোগহীন হয়ে পড়ার বিষয়টি কখনোই কারও নজরে আসেনি।
সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর ও বিস্ময়কর ব্যাপার হলো, এই মৃত্যুর খবর পুলিশ কোনো নিখোঁজ সংবাদ কিংবা কোনো স্বজনের করা সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে জানতে পারেনি।
মূলত বাড়ির মালিকের দায়ের করা একটি মামলার প্রেক্ষিতে আদালতের দেওয়া উচ্ছেদ আদেশ কার্যকর করার অভিযানে গিয়েই প্রকাশ্যে আসে এই তিন বছর আগের মৃত্যুর চাঞ্চল্যকর ঘটনা।
সূত্র: আজকের পত্রিকা
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর