নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
প্রশান্ত মহাসাগরের তীরঘেঁষা এক শান্ত জনপদ। হঠাৎই চারপাশের চিরচেনা আবহাওয়া আমূল বদলে যায়। অন্তহীন আকাশ চিরে ঝাঁকে ঝাঁকে ডানা মেলে নেমে আসে অসংখ্য পাখি। শহরজুড়ে সাধারণ মানুষের ওপর শুরু হয় নির্মম ও লোমহর্ষক আক্রমণ। এমন আকস্মিক বিপদের কারণ কারো জানা নেই। গোটা এলাকায় ভীতি ও ত্রাস ছড়িয়ে পড়ে। বিখ্যাত চলচ্চিত্রকার আলফ্রেড হিচককের নির্দেশনায় মুক্তি পাওয়া দ্য বার্ডস ছবির এই রহস্যময় ত্রাস আজও ভৌতিক ও থ্রিলার সিনেমাভক্তদের মন থেকে মুছে যায়নি। দীর্ঘ ছয় দশকেরও বেশি সময় পর সেই পুরনো কাহিনীর ছায়া এবার সম্পূর্ণ নতুন পন্থায় বড় পর্দার পরিবর্তে ছোট পর্দায় আত্মপ্রকাশ করতে চলেছে। জনপ্রিয় সম্প্রচার মাধ্যম এইচবিও এই সীমিত পর্বের টেলিভিশন সিরিজটি নির্মাণের সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এই নতুন আয়োজনের কেন্দ্রীয় চরিত্র রূপায়ণ করবেন দর্শকপ্রিয় সাকসেশন খ্যাত গুণী অস্ট্রেলীয় অভিনেত্রী সারা স্নুক। আসন্ন এই নতুন সংস্করণে কেবল আকাশ থেকে নামা পাখিদের হিংস্র আক্রমণই ফুটিয়ে তোলা হবে না, এর পাশাপাশি চিত্রিত হবে জটিল খুনোখুনির রহস্য, পারিবারিক মনস্তাত্ত্বিক সংকট এবং একজন মায়ের নিজের সন্তানকে যেকোনো মূল্যে রক্ষা করার অসম লড়াই।
তবে এবারের আখ্যানের পটভূমি হিসেবে ক্যালিফোর্নিয়াকে বেছে নেওয়া হয়নি; বরং সরাসরি কোনো পুনর্নির্মাণ ছাড়াই গল্পের সময়, নির্দিষ্ট ভৌগোলিক অবস্থান ও চরিত্রগুলোর বিন্যাসে আনা হচ্ছে বেশ বড়সড় রদবদল। হিচককের ক্ল্যাসিক চলচ্চিত্রে ঘটনার মূল কেন্দ্রবিন্দু ছিল ক্যালিফোর্নিয়ার সমুদ্রপারের ছোট্ট জনপদ বোডেগা বে। পক্ষান্তরে, নতুন এই সিরিজের সমস্ত ঘটনাপ্রবাহ বর্তমান কালের শীতল ও ভিন্ন প্রেক্ষাপটের আলাস্কা অঞ্চলের ওপর ভিত্তি করে সামনের দিকে এগিয়ে যাবে।
এই নতুন রূপান্তরে মাইরা ম্যাসি নামের একটি বিশেষ চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যাবে সারা স্নুককে। ছোট মেয়ের আইনি অভিভাবকত্ব নিয়ে দীর্ঘ ও তিক্ত আইনি লড়াই শেষ হওয়ার পর নিজের একমাত্র মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে সুদূর আলাস্কায় নিজের পৈতৃক জন্মভূমিতে ফিরে আসেন তিনি। সেখানে পা রাখার পর থেকেই নিজের শৈশবের এক পুরোনো বন্ধুর আকস্মিক ও রহস্যঘেরা নিখোঁজ হওয়ার ঘটনাটি অত্যন্ত গোপনে অনুসন্ধান করতে শুরু করেন মাইরা। কিন্তু তিনি যখন এই স্পর্শকাতর তদন্তের গভীরে প্রবেশ করেন, তখন চারপাশের সার্বিক পরিস্থিতি দিন দিন আরও জটিল আকার ধারণ করতে শুরু করে। বিশেষ করে ওই নির্দিষ্ট এলাকায় একজন কুখ্যাত খুনি অবাধে ঘুরে বেড়াচ্ছে। ফলে তদন্ত করতে গিয়ে একপর্যায়ে চরম ব্যক্তিগত হুমকির মুখেও পড়তে হয় মাইরাকে। ঠিক এই চরম অনিশ্চয়তা ও উত্তেজনার মুহূর্তেই শুরু হয় পাখিদের অবর্ণনীয় ও ভয়ংকর আক্রমণ। সম্পূর্ণ অস্বাভাবিক আচরণ করে হিংস্র হয়ে ওঠা বন্য পাখিরা একে একে মানুষের তাজা প্রাণ কেড়ে নিতে থাকে।
পুরো ঘটনার সবচেয়ে গভীর ও রহস্যময় দিকটি হলো, পাখিদের এই নৃশংস আক্রমণের সঙ্গে অপরাধমূলক ওই ঘটনার কোনো এক অদ্ভুত ও অজানা যোগসূত্র রয়ে গেছে। এর ফলে একদিকে দীর্ঘদিনের নিখонজ বন্ধুকে খুঁজে বের করার জটিল রহস্য উদ্ঘাটন এবং অন্যদিকে নিজের একমাত্র সন্তানকে নরকীয় বিপদ থেকে বাঁচানো—এই দুই বিপরীতমুখী মহাসংকটের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে চরম লড়াই করতে হয় মাইরা ম্যাসিকে।
প্রযোজক ও নির্মাতাদের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা অনুযায়ী, আসন্ন নতুন এই সিরিজে কেবল পাখিদের নিষ্ঠুর আক্রমণই প্রাধান্য পাবে না, বরং সাধারণ মানুষের পারস্পরিক জটিল সম্পর্ক, মনের ভেতরের গভীর ভয় এবং প্রতিকূল পরিস্থিতিতে বেঁচে থাকার চিরন্তন সংগ্রামও অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে ফুটিয়ে তোলা হবে। মূলত ব্রিটিশ কথাসাহিত্যিক ড্যাফনে ডু মরিয়ের একই নামের কালজয়ী ছোটগল্প থেকেই হিচককের ওই বিখ্যাত চলচ্চিত্রের মূল অনুপ্রেরণা নেওয়া হয়েছিল। ১৯৫২ সালে প্রকাশিত সেই মৌলিক গল্পে ইংল্যান্ডের কর্নওয়াল অঞ্চলের একটি বিশেষ উপকূলীয় এলাকায় পাখিদের অভূতপূর্ব ও অস্বাভাবিক আক্রমণের চমৎকার বিবরণ দেওয়া হয়েছিল। সেটির কাহিনী অনুযায়ী, উপকূলের সাধারণ মানুষের ওপর হঠাৎ করেই আক্রমণ চালাতে শুরু করে বিভিন্ন প্রজাতির অজস্র পাখি। প্রকৃতির এমন সম্পূর্ণ অপ্রত্যাশিত ও হিংস্র আচরণের সামনে পুরোপুরি অসহায় হয়ে পড়ে মানবজাতি।
পরবর্তী সময়ে ১৯৬৩ সালে সেই রোমাঞ্চকর গল্পটিকে ভিত্তি করেই একটি ভিজ্যুয়াল মাস্টারপিস নির্মাণ করেছিলেন ইতিহাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নির্মাতা আলফ্রেড হিচকক। তবে মৌলিক সাহিত্যকর্মের আখ্যানভাগ থেকে তাঁর নির্মিত চলচ্চিত্রের কাহিনি বেশ কিছুটা আলাদা ও স্বাধীন আঙ্গিকে সাজানো হয়েছিল। ওই চলচ্চিত্রে মেলানি ড্যানিয়েলস নামের এক তরুণীর কেন্দ্রীয় চরিত্রে দারুণ অভিনয় করেছিলেন খ্যাতনামা অভিনেত্রী টিপি হেড্রেন। সান ফ্রান্সিসকো শহর ছেড়ে বোডেগা বে এলাকায় পৌঁছানোর পর তাকে একের পর এক ভয়াবহ ও বিভীষিকাময় অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে হয়েছিল। স্থানীয় বাসিন্দাদের ওপর বিভিন্ন জাতের পাখি আচমকা ঝাঁপিয়ে পড়ে আক্রমণ শুরু করে। ওই ছবিতে আরও গুরুত্বপূর্ণ কিছু চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন রড টেলর ও জেসিকা ট্যান্ডির মতো প্রতিভাবান শিল্পীরা। বিশেষ করে আকাশ থেকে নেমে আসা পাখিদের ভয়ংকর আক্রমণের দৃশ্যসমূহ, শব্দের একদম অভিনব ও মনস্তাত্ত্বিক ব্যবহার এবং এই আকস্মিক আতঙ্কের পেছনের সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে কোনো ধরনের স্পষ্ট ব্যাখ্যা না দেওয়ার দারুণ কৌশল ছবিটিকে বিশ্ব চলচ্চিত্রের ইতিহাসে একটি অত্যন্ত স্বতন্ত্র ও অনন্য আসনে আসীন করেছে।
এইচবিওর পর্দায় অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণভাবে ফিরে আসছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী সারা স্নুক। আসন্ন এই নতুন সিরিজটির অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ও শক্তির জায়গা তিনিই। এইচবিওর অত্যন্ত সমাদৃত ও জনপ্রিয় সিরিজ সাকসেশনের শিভ রয় নামক অত্যন্ত শক্তিশালী চরিত্রে অসাধারণ অভিনয় করে সারা বিশ্বজুড়ে ব্যাপক আন্তর্জাতিক পরিচিতি অর্জন করেছিলেন তিনি। অত্যন্ত প্রশংসিত এই চার মৌসুমের দীর্ঘ সিরিজে তাঁর অভিনয় সমালোচক থেকে শুরু করে সাধারণ দর্শকদের মন জয় করেছিল। আর এই অসাধারণ চরিত্রটিতে অনবদ্য অভিনয়ের স্বীকৃতিস্বরূপ মর্যাদাপূর্ণ একটি এমি পুরস্কার এবং দুটি লোভনীয় গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার নিজের ঝুলিতে পুরেছেন সারা।
সাকসেশন সিরিজে তাঁকে দেখা গিয়েছিল একটি অত্যন্ত ক্ষমতাধর ও প্রভাবশালী মিডিয়া পরিবারের অত্যন্ত উচ্চাকাঙ্ক্ষী এবং মানসিকভাবে জটিল এক নারীর চরিত্রে। এর সম্পূর্ণ বিপরীতে দ্য বার্ডস সিরিজে তাঁকে পর্দায় ফুটিয়ে তুলতে দেখা যাবে এমন এক মমতাময়ী মায়ের ভূমিকায়, যিনি এক অতি রহস্যময় ও মরণঘাতী বিপদের ভেতরেও নিজের সন্তানকে নিরাপদে বাঁচিয়ে রাখার জন্য অবিরাম চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
সম্প্রতি পিকক প্ল্যাটফর্মের অত্যন্ত রোমাঞ্চকর থ্রিলার ঘরানার সিরিজ অল হার ফল্ট-এও অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে অভিনয় করেছেন এই প্রতিভাবান অভিনেত্রী। মূলত ওই সিরিজটিতে নিজের নিখুঁত অভিনয়ের সুবাদেই মর্যাদাপূর্ণ এমি পুরস্কারের মনোনয়ন অর্জন করেছিলেন তিনি। শুধু ছোট পর্দাই নয়, এর বাইরে মঞ্চ নাটকের জগতেও দারুণ সাফল্য ও খ্যাতি অর্জন করেছেন এই তারকা। বিখ্যাত সাহিত্যিক ও নাট্যকার অস্কার ওয়াইল্ডের ধ্রুপদী উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত একক অভিনয়ের অত্যন্ত প্রশংসিত মঞ্চনাটক দ্য পিকচার অব ডোরিয়ান গ্রে-তে নৈপুণ্যের জন্য ২০২৫ সালে অত্যন্ত সম্মানজনক টনি পুরস্কার জয় করে নেন এই মেধাবী অভিনেত্রী।
দ্য বার্ডস প্রকল্পের সুবাদে দীর্ঘ বিরতির পর আবারও এইচবিও নেটওয়ার্কের সঙ্গে নতুন কোনো কাজে যুক্ত হতে চলেছেন সারা স্নুক। তবে এবারের কাজের ক্ষেত্রে তাঁর অভিনীত চরিত্র এবং গল্পের সামগ্রিক ধরনটি তাঁর পূর্ববর্তী জনপ্রিয় কাজ সাকসেশনের থেকে পুরোপুরি আলাদা একটি মাত্রায় থাকবে।
এই উচ্চাভিলাষী প্রজেক্টের নেপথ্যে অত্যন্ত দক্ষ ও অভিজ্ঞ এক দল নির্মাতা যুক্ত রয়েছেন। সিরিজটির প্রথম পর্বের সম্পূর্ণ চিত্রনাট্য তৈরি করেছেন অভিজ্ঞ চিত্রনাট্যকার টম স্পেজিয়ালি। তিনি এই প্রজেক্টে একজন নির্বাহী প্রযোজকের দায়িত্বও অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করবেন। এর আগে তিনি এইচবিওর অত্যন্ত জনপ্রিয় দ্য লেফটওভারস এবং ওয়াচমেন নামক বিশ্বখ্যাত সিরিজের সঙ্গে অত্যন্ত সফলভাবে যুক্ত ছিলেন। এ ছাড়া নির্বাহী প্রযোজকের সুনির্দিষ্ট দায়িত্বে আরও যুক্ত রয়েছেন স্বনামধন্য ডেভিড হেইম্যান, ড্যানি সামিট এবং জেনিফার গ্যাবলার রলিংস। ক্যামেরার সামনে অভিনয়ের পাশাপাশি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নির্বাহী প্রযোজকের মূল দায়িত্বেও সরাসরি সক্রিয় থাকবেন অভিনেত্রী সারা স্নুক স্বয়ং। বিশিষ্ট প্রযোজক ডেভিড হেইম্যানের নিজস্ব স্বনামধন্য প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান হেইডে টেলিভিশনও এই বৃহৎ প্রকল্পটির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত রয়েছে। বিশ্বখ্যাত হ্যারি পটার চলচ্চিত্র সিরিজের সফল প্রযোজক হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিতি পাওয়া হেইম্যান বর্তমানে এইচবিওর একেবারে নতুন হ্যারি পটার সিরিজের সঙ্গেও অত্যন্ত নিবিড়ভাবে কাজ করে চলেছেন। বিশ্বখ্যাত সম্প্রচার মাধ্যম এইচবিওর সঙ্গে যৌথ অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে নতুন এই দ্য বার্ডস সিরিজটির সার্বিক প্রযোজনার দায়িত্বে থাকছে ইউনিভার্সাল গ্লোবাল টেলিভিশন। এই প্রজেক্টের মূল সাহিত্যকর্ম এবং ক্লাসিক চলচ্চিত্রের যাবতীয় স্বত্ব আইনগতভাবে ইউনিভার্সাল পিকচার্স এবং মূল কথাসাহিত্যিক ড্যাফনে ডু মরিয়ের সুযোগ্য উত্তরাধিকারীদের যৌথ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
হিচককের দ্য বার্ডস ক্ল্যাসিক চলচ্চিত্রটিকে নতুন কোনো আঙ্গিকে পর্দায় ফিরিয়ে আনার প্রচেষ্টা বর্তমান সময়ে এসে একেবারে নতুন কোনো ঘটনা নয়। এর আগে ২০০৭ সালে হলিউডের বিখ্যাত অভিনেত্রী নাওমি ওয়াটসের হাত ধরে এই চলচ্চিত্রটির একটি আধুনিক সংস্করণ বা রিমেক নির্মাণের প্রাথমিক পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছিল। সেই সময় এই প্রজেক্টের পরিচালক হিসেবে মার্টিন ক্যাম্পবেলের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার কথা চূড়ান্ত ছিল। কিন্তু নানাবিধ বাস্তব জটিলতার কারণে সেই বহুল প্রত্যাশিত প্রকল্পটি শেষ পর্যন্ত আলোর মুখ দেখেনি এবং বাস্তবায়িত হয়নি।
পরবর্তী সময়ে ২০১৭ সালের দিকে ব্রিটিশ ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশন বা বিবিসির পক্ষ থেকেও দ্য বার্ডস উপন্যাসের ওপর ভিত্তি করে সম্পূর্ণ নতুন একটি টেলিভিশন সিরিজ নির্মাণের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছিল। তবে অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো, সেই উদ্যোগটিও শেষ পর্যন্ত টেলিভিশনের পর্দা পর্যন্ত পৌঁছাতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছিল।
বর্তমান সময়ে এসে স্বনামধন্য এইচবিওর সাহসী ও আন্তরিক উদ্যোগে এই জনপ্রিয় ক্লাসিক গল্পটি একটি সম্পূর্ণ নতুন রূপ লাভ করার জোরালো সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তবে সার্বিক পর্যালোচনায় বোঝা যায় যে এই প্রজেক্টটি এই মুহূর্তে কেবল প্রাথমিক উন্নয়ন বা ডেভলপমেন্ট ধাপের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রয়েছে। চূড়ান্তভাবে এই উচ্চাভিলাষী সিরিজটি নির্মাণের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন, মূল চিত্রায়ণ বা শুটিংয়ের নির্দিষ্ট সময় কিংবা এর মুক্তির সম্ভাব্য দিনক্ষণ সম্পর্কিত কোনো সুনির্দিষ্ট ঘোষণা এখনো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে প্রদান করা হয়নি। এমনকি মেধাবী অভিনেত্রী সারা স্নুক ছাড়া এই সিরিজে আর কোন কোন খ্যাতনামা অভিনয়শিল্পী যুক্ত হবেন, তাদের নামগুলোও এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি।
সূত্র: জাতীয় দৈনিক আমার সকাল টিম।
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর