নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান বন্ধের দাবি সরাসরি নাকচ করে দিয়েছেন রুবিও। এর ফলে ওয়াশিংটন এবং কিয়েভের মধ্যকার সম্পর্কের সাম্প্রতিক টানাপোড়েন আরও বেশি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। বিগত কয়েক দিনের ব্যবধানে দুই দেশের বিভিন্ন কর্মকর্তার বক্তব্যে বেশ কিছু অসংগতি পরিলক্ষিত হয়েছে।
রুশ বাহিনী কর্তৃক নিক্ষিপ্ত দ্রুতগতির ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রগুলো শনাক্ত করার কাজের জন্য দীর্ঘ সময় ধরে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা তথ্যের ওপর নির্ভর করে আসছে ইউক্রেন। বিভিন্ন সময়ে দেশের বিভিন্ন শহর লক্ষ্য করে এই ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে রাশিয়া।
চলতি সপ্তাহের একদম শুরুর দিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও নিশ্চিত করেছিলেন যে ইউক্রেনের সঙ্গে গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদানের প্রক্রিয়াটি চালু রয়েছে। কিন্তু ইউক্রেনীয় কর্মকর্তাদের দাবি, রাশিয়ার কয়েকটি হামলার ঠিক আগে তারা কোনো ধরনের সতর্কবার্তা পায়নি।
যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তথ্য সরবরাহ স্বাভাবিকভাবে চলছিল কি না, সেই বিষয়টি নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। এ ছাড়া স্টারশিল্ড স্যাটেলাইট যোগাযোগব্যবস্থা ব্যবহারেও ইউক্রেনের ওপর মার্কিন সরকার বিধিনিষেধ আরোপ করেছে বলে অভিযোগ করেছেন জেলেনস্কি।
উল্লেখ্য যে রুশ ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের আক্রমণ সফলভাবে মোকাবিলা করার ক্ষেত্রে স্পেসএক্সের এই স্যাটেলাইট ব্যবস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি মাধ্যম। তবে ইউক্রেনের নীতিনির্ধারকদের আনীত এই নির্দিষ্ট অভিযোগটিও মার্কিন কর্মকর্তারা দৃঢ়ভাবে অস্বীকার করেছেন।
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর