নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
শারদীয় দুর্গোৎসবে শাড়ি, অলংকার ও প্রসাধনীর ক্ষেত্রে লাল ও সাদা রঙের সমন্বয় ঘটাচ্ছেন অগণিত মানুষ। আবহমানকালের এই দুটি রঙের ব্যবহারে কেবল উৎসবের আবহ তৈরি হয় না, বরং ব্যক্তির নিজস্ব রুচিবোধ ও ফ্যাশনের বহিঃপ্রকাশও ঘটে। নানা ধরনের রূপসজ্জার মাধ্যমে এই আবহ ফুটিয়ে তোলা সম্ভব।
ঐতিহাসিকভাবে বিশ্বাস করা হয় যে, সিঁদুর ও আলতার লাল এবং শরৎকালের কাশফুলের সাদা রঙ থেকেই পূজার পোশাকে এই দুই রঙের প্রচলন ও আধিক্য শুরু হয়েছে। সেইকাল থেকে অদ্যাবধি পূজার প্রসাধনে লাল-সাদার বিশেষ কদর রয়েছে। ক্লাসিক শাড়ি কিংবা সমসাময়িক ফিউশন ধাঁচের পোশাক—উভয় ক্ষেত্রেই এই দুই রঙের মিতালি উৎসবের পূর্ণতা আনে।
পূজার দিনগুলোতে মণ্ডপে মণ্ডপে ঘুরে বেড়ানোর সময় দর্শনার্থীদের পোশাকের বৈচিত্র্য এবং নান্দনিক সাজসজ্জা সবার নজর কাড়ে। কে কীভাবে নিজেকে সাজাচ্ছেন, তার মধ্যেই নিহিত থাকে উদযাপনের আনন্দ ও স্বকীয়তার প্রকাশ।
অবশ্য প্রসাধনে অভিনবত্ব আনতে গিয়ে আরামের দিকটি অবহেলা করা সমীচীন হবে না। কারণ, পূজার সময়গুলোতে প্যান্ডেলে ঘোরাঘুরি, পরিচিতজনদের সঙ্গে সাক্ষাৎ এবং গভীর রাত অবধি উৎসবে মেতে থাকার পরিকল্পনা থাকে অনেকেরই।
অন্যদিকে, এ সময় আবহাওয়াও গরমের বিদায় ও মৃদু শীতের আগমনের সন্ধিক্ষণে অবস্থান করে। তাই পোশাক নির্বাচনের সময় রঙের পাশাপাশি কাপড়ের উপাদান, স্বাচ্ছন্দ্য এবং চলাচলের সুবিধার দিকটিও সমানভাবে বিবেচনা করা আবশ্যক।
পরিশেষে বলা যায়, উৎসবের এই রূপসজ্জা হোক সম্পূর্ণ নিজের পছন্দসই, যা একই সঙ্গে আরামদায়ক হবে এবং লাল-সাদার সনাতন সৌন্দর্যে উদ্ভাসিত হয়ে উঠবে।
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর