নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
পবিত্র কোরআন মুখস্থকারীদের সম্মান ও মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রাখতে কেবল হিফজ সম্পন্ন করাই যথেষ্ট নয়; এর সঙ্গে প্রয়োজন সর্বোচ্চ নৈতিকতা, সদাচরণ, খোদাভীতি ও আমলের ওপর অবিচল থাকা। মুখস্থবিদ্যার অধিকারী হওয়ার পরও আসমানি কিতাবের বিধিবিধান এড়িয়ে চলা কখনোই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। একজন কোরআনের হাফেজের প্রতিটি কথা, কর্মকাণ্ড, আচরণ ও জীবনযাত্রায় পবিত্র গ্রন্থটির আলো ফুটে ওঠা বাঞ্ছনীয়। এ প্রসঙ্গে পবিত্র কোরআনের সুরা ইসরার নবম আয়াতে এরশাদ হয়েছে যে, এই গ্রন্থ মানবজাতিকে সবচেয়ে সরল ও সঠিক পথের সন্ধান দেয়।
ফলে, আসমানি এই মহাগ্রন্থের চমৎকার সব নির্দেশনা মেনে জীবন সাজানোই হওয়া উচিত প্রতিটি হাফেজের প্রধান ব্রত।
মুসলিম জনগোষ্ঠীর মাঝে ধর্মীয় শিক্ষার বাহক হিসেবে ভূমিকা পালন করেন কোরআনের হাফেজরা। তাঁদের যথাযথ সম্মান দেওয়া, কোরআন অধ্যয়নের উপযোগী পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং হিফজখানার কার্যক্রমে সহায়তা করা সকল মুমিনের নৈতিক কর্তব্য। একই সঙ্গে প্রতিটি হাফেজের নিজ দায়িত্বে নিয়মিত তিলাওয়াত ও নবীজির সুন্নাত অনুযায়ী আমল চালিয়ে যাওয়ার মাধ্যমে ধর্মীয় এই গ্রন্থের সঙ্গে মনের টান জীবন্ত রাখা জরুরি।
মূলত, পবিত্র কোরআনের আসল সম্মান তখনই সমাজে প্রতিষ্ঠিত হয়, যখন তা কেবল মনের স্মৃতিতে বা মুখস্থ বিদ্যার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে মানুষের চরিত্র ও সার্বিক জীবনযাপনে পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়।
প্রবন্ধটি লিখেছেন শিক্ষক ও খতিব আসাদুল্লাহ সোলায়মান।
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর