নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
অপরাধ তদন্ত বিভাগের বা সিআইডির তদন্তে উঠে এসেছে যে, নির্দিষ্ট ওই বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে আইনসম্মত উপায়ে যেসব সোনা এবং হীরা আনা হয়েছিল, সেগুলোর দাম ছিল আটত্রিশ কোটি সাতচল্লিশ লাখ টাকার বেশি।
একই নির্দিষ্ট কালপরিক্রমায় দেশের ভেতরকার বিভিন্ন উৎস থেকে প্রায় ছয়শো আটাত্তর কোটি উনিশ লাখ টাকার সোনা ও হীরা সংগ্রহ করা হয়, কিংবা সেগুলোর রূপান্তর ও লেনদেন সম্পন্ন করা হয়েছিল।
সংগৃহীত এই মূল্যবান ধাতু ও পাথরের উৎস সম্পর্কিত কোনো ধরনের বৈধ কাগজপত্র বা দাপ্তরিক প্রমাণপত্র দেখাতে ব্যর্থ হয়েছে সংশ্লিষ্ট পক্ষ, যা তদন্তে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
এর আগে গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসের তিন তারিখে দিলীপ কুমার আগারওয়ালাকে আটক করেছিল সেসময়ের র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন বা র্যাব।
পরবর্তী সময়ে তাঁকে একাধিক হত্যা মামলায় সন্দেহভাজন হিসেবে আদালতে সোপর্দ করা হয় এবং এসব মামলায় আইনি প্রক্রিয়ায় জামিন লাভ করেন তিনি।
চলতি বছরের অক্টোবর মাসের প্রথম দিনে আইনি আনুষ্ঠানিকতা শেষে কারাগার থেকে মুক্তি লাভ করেছিলেন অভিযুক্ত এই ব্যক্তি।
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর