নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সদর হাসপাতালে ককটেল নিক্ষেপের একটি ঘটনা ঘটেছে। এই আকস্মিক হামলার পর থেকেই সংশ্লিষ্ট এলাকায় ও চিকিৎসাকেন্দ্রে নিরাপত্তা ব্যবস্থা উল্লেখযোগ্যভাবে কড়াকড়ি করা হয়েছে।
স্থানীয় সচেতন মহলের অভিমত হলো, সে সময় পাহারায় নিয়োজিত আনসার সদস্যদের নিরাপত্তা কার্যক্রমে স্পষ্ট ঘাটতি ছিল। এর ফলে হামলাকারীরা কোনো ধরনের বাধা ছাড়াই অত্যন্ত নিরাপদে ঘটনাস্থল ত্যাগ করতে সক্ষম হয়েছে।
জানা গেছে, ওই নির্দিষ্ট দিনে হাসপাতালের নিরাপত্তার মূল দায়িত্বে নিয়োজিত আনসার দলের প্রধান মুনির আহমদ বাইরে অবস্থান করছিলেন। হাসপাতালের এক অতি গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তার কার্যালয়ে যখন এই হামলা চালানো হয়, তখন তিনি সেখানে উপস্থিত ছিলেন না।
এ বিষয়ে বিস্তারিত বক্তব্য নেওয়ার উদ্দেশ্যে হাসপাতালে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও মুনির আহমদকে পাওয়া যায়নি। ফলে তাঁর কোনো মন্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি।
উল্লেখ্য, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের কিছুদিন পর সাধারণ মানুষের জননিরাপত্তা জোরদার করার বিশেষ উদ্যোগ নেয়। এরই একটি অংশ হিসেবে নাইক্ষ্যংছড়ি হাসপাতালে মোট সাতজন আনসার সদস্যকে নিরাপত্তার জন্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।
নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী, রোটেশন বা পালাবদল পদ্ধতির মাধ্যমে এই সদস্যরা নিয়মিতভাবে হাসপাতাল পাহারা দেওয়ার কথা রয়েছে।
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর