নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
ইতালির রাজধানী রোমে পৌঁছে অস্ট্রেলিয়ার ওই তরুণীর মনে হয়েছে যে, রোম শহরটি তাঁর নিজ দেশের প্রধান শহরগুলোর তুলনায় অনেকটাই কম নিরাপদ এবং বেশি অপরিচ্ছন্ন। একই সঙ্গে তিনি নিজের দেশের মিশুক মানুষজন, চমৎকার কফি, সুন্দর আবহাওয়া এবং সুরক্ষিত পারিপার্শ্বিকতার কথা নতুন করে উপলব্ধি করেন এবং সেগুলোর প্রতি তীব্র আকর্ষণ অনুভব করতে শুরু করেন। অতীতে পেশাগত দায়িত্ব পালনে এতটাই ব্যস্ত থাকতেন যে, নিজের দেশের এই ইতিবাচক দিকগুলো নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা করার ফলেও অবকাশ তিনি পেতেন না।
এদিকে তাঁর এই আক্ষেপভরা পোস্টের জবাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম রেডিটের একাধিক ব্যবহারকারী তাঁকে এখনই ভ্রমণ অভিযান থামিয়ে না দেওয়ার উপদেশ দিয়েছেন। তাঁদের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, সম্পূর্ণ ভিন্ন কোনো সংস্কৃতি এবং নতুন কোনো পরিবেশের সঙ্গে অভ্যস্ত হয়ে উঠতে কিছুটা সময়ের প্রয়োজন হয়। তাছাড়া, দেশের বাইরে সম্পূর্ণ একা একা ভ্রমণের প্রাথমিক পর্যায়ে মানসিক অস্বস্তি, একাকীত্ব ও হতাশা গ্রাস করা মোটেও অস্বাভাবিক কোনো ঘটনা নয়।
এই বিষয়ে মতামত প্রকাশ করে এক ইন্টারনেট ব্যবহারকারী লিখেছেন যে, বিভিন্ন সংস্কৃতির ব্যবধানের মুখোমুখি হওয়া মানুষের মানসিক পরিপক্বতা অর্জনের ক্ষেত্রে বেশ উপকারী ভূমিকা পালন করতে পারে। তিনি তরুণীকে আরও কয়েকটি সপ্তাহ সেখানে কাটিয়ে দেওয়ার অনুরোধ করে জানান যে, তাহলেই ধীরে ধীরে পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়াটা তার জন্য অনেক সহজ হবে। ওই ব্যবহারকারীর মতে, চাকরি ছেড়ে বিশ্ব ভ্রমণে বের হওয়ার তরুণীর এই সিদ্ধান্তটি আদতে ভুল ছিল না।
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর