ঢাকা | বঙ্গাব্দ

ইঞ্জিন সংকটে তিন ঘণ্টা দেরিতে ছাড়ল পাহাড়িকা এক্সপ্রেস, স্টেশনে যাত্রীদের বিক্ষোভ

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Oct 21, 2026 ইং
ইঞ্জিন সংকটে তিন ঘণ্টা দেরিতে ছাড়ল পাহাড়িকা এক্সপ্রেস, স্টেশনে যাত্রীদের বিক্ষোভ ছবির ক্যাপশন:
ad728

নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর

নির্ধারিত সময়ের চেয়ে প্রায় তিন ঘণ্টা বিলম্বে ছাড়ায় চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশনে তীব্র ক্ষোভ ও বিক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সিলেটগামী পাহাড়িকা এক্সপ্রেসের যাত্রীরা। আজ বুধবার সকালে চট্টগ্রাম স্টেশনের প্ল্যাটফর্ম এবং স্টেশনমাস্টারের কার্যালয়ের সামনে এই হট্টগোলের ঘটনা ঘটে। ট্রেনটির জন্য দীর্ঘসময় অপেক্ষা করে দুর্ভোগে পড়া প্রায় ৭০ থেকে ৮০ জন যাত্রী সরাসরি স্টেশনমাস্টারের কক্ষের সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। এছাড়া আরও অনেক যাত্রীকে প্ল্যাটফর্মে অবস্থান নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা যায়। এই ঘটনার বেশ কিছু স্থিরচিত্র ও ভিডিও পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ছড়িয়ে পড়ে।

যাত্রীদের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয় যে, পাহাড়িকা এক্সপ্রেসের নির্দিষ্ট ইঞ্জিনটি খুলে নিয়ে অন্য আরেকটি ট্রেনে যুক্ত করা হয়েছিল। এর ফলে যথাসময়ে ট্রেনটি গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা দিতে পারেনি এবং কয়েক শ যাত্রী স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে দীর্ঘসময় আটকা পড়ে থাকেন। নির্ধারিত সময় পেরিয়ে যাওয়ার পরও ট্রেন না ছাড়ার কারণে যাত্রীরা ক্রমশ ধৈর্য হারিয়ে ফেলেন এবং একপর্যায়ে ক্ষুব্ধ হয়ে স্টেশনমাস্টারের কক্ষের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন।

রেলওয়ে সূত্রে জানা যায়, ইঞ্জিনস্বল্পতার কারণে পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ট্রেনটি প্রায় নিয়মিতভাবেই সঠিক সময়ে চলাচল করতে ব্যর্থ হচ্ছে। সাধারণত সিলেট থেকে ছেড়ে আসা ট্রেনের ইঞ্জিনটি প্রয়োজনীয় রক্ষণাবেক্ষণ ও কার্যাবলি সম্পন্ন করার পর পুনরায় সিলেটগামী ট্রেনের সঙ্গে সংযুক্ত করতে হয়। আর এই প্রক্রিয়াটির জন্যই ট্রেন ছাড়ার ক্ষেত্রে নিয়মিতভাবে এমন বিলম্বের মতো অনভিপ্রেত পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের দেওয়া বিবরণ অনুযায়ী, পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ট্রেনটির চট্টগ্রাম রেলস্টেশন ছেড়ে যাওয়ার নির্দিষ্ট সময় নির্ধারিত ছিল সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে। তবে ইঞ্জিনসংকট ও অন্যান্যoperational কারণে দীর্ঘ বিলম্বের পর শেষ পর্যন্ত সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে ট্রেনটি চট্টগ্রাম স্টেশন ছেড়ে সিলেটের পথ ধরে।

এই বিষয়ে চট্টগ্রাম রেলস্টেশনের মাস্টার আবু জাফর মজুমদার গণমাধ্যমকে জানান, সিলেট থেকে ছেড়ে আসা একটি ট্রেনের চট্টগ্রাম স্টেশনে এসে পৌঁছানোর কথা ছিল ভোর ৫টা ৩৫ মিনিটে। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের চেয়ে প্রায় দুই ঘণ্টা দেরিতে ট্রেনটি স্টেশনে পৌঁছানোর কারণে চট্টগ্রাম থেকে পরবর্তী যাত্রা শুরু করতেও বিলম্ব ঘটেছে। ইঞ্জিনসংকটের এই পুরো বিষয়টি এরই মধ্যে রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করা হয়েছে।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
আংশিক মেঘলা থাকবে ঢাকার আকাশ

আংশিক মেঘলা থাকবে ঢাকার আকাশ