নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
ব্যবসায়িক ও ভ্রমণের সুবাদে ২১টি দেশ ভ্রমণ করার অভিজ্ঞতা থেকে জানা যায়, আসিয়ান অঞ্চলটি একটি প্রধান ব্যবসায়িক কেন্দ্র হিসেবে কাজ করছে। তবে এই অঞ্চলের অপার সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হলে সেখানে যাওয়ার আগেই ব্যবসা সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় জ্ঞান অর্জন করা অত্যন্ত জরুরি।
বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা প্রায়ই একটি সাধারণ ভুল করেন; তারা অন্য কারও সাফল্য দেখে নিজের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা যাচাই না করেই ব্যবসায় নেমে পড়েন। না বুঝে এই ধরনের উদ্যোগ নেওয়ার ফলে অনেককেই শেষ পর্যন্ত বড় ধরনের হোঁচট খেতে হয়।
মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড এবং ভিয়েতনামের মতো দেশগুলোতে বাণিজ্যের জন্য পর্যাপ্ত সুযোগ রয়েছে। বিশেষ করে মালয়েশিয়ায় বর্তমানে বাংলাদেশির সংখ্যা অনেক বেশি হওয়ায়, অন্যান্য উদীয়মান দেশগুলোতেও ভাগ্য অন্বেষণের চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া যেতে পারে।
যে দেশেই ব্যবসা শুরু করার পরিকল্পনা করা হোক না কেন, সংশ্লিষ্ট দেশটিতে একাধিকবার ভ্রমণ করা উচিত। পরবর্তীতে নিজের অর্دিত অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করেই কেবল নতুন কোনো বাণিজ্যিক উদ্যোগ হাতে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে।
ফিলিপাইনে প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রধানত পোশাক শিল্প, রেস্তোরাঁ ব্যবসা এবং কল সেন্টারে চাকরি করে থাকেন। এর বাইরেও দেশের বহু উচ্চ দক্ষতাসম্পন্ন পেশাজীবী অত্যন্ত সুনামের সঙ্গে ব্যাংক খাত ও বিভিন্ন বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালন করছেন।
পেশাগত কাজের পাশাপাশি অনেকে সেখানে শিক্ষকতার পেশার সঙ্গেও যুক্ত রয়েছেন। ফিলিপাইনে বসবাসরত বাংলাদেশিদের একটি বড় অংশই রাজধানী ম্যানিলা শহরে স্থায়ী বা অস্থায়ীভাবে অবস্থান করছেন।
রাজধানী ছাড়াও দেশটির অন্যান্য শহরেও বাংলাদেশিদের উপস্থিতি রয়েছে, যদিও সেই সংখ্যা তুলনামূলকভাবে বেশ কম। বর্তমান সময়ে ফিলিপাইনের স্টুডেন্ট ভিসা পাওয়ার প্রক্রিয়াটি অনেকটাই সহজ হয়েছে।
শিক্ষার্থী ভিসার সুযোগ নিয়ে প্রচুর সংখ্যক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী এখন ফিলিপাইনে পাড়ি জমাচ্ছেন। তবে যাদের পাসপোর্ট একেবারেই নতুন বা ফ্রেশ, তাদের জন্য এই ভিসা পাওয়া কিছুটা জটিল হতে পারে।
অন্যদিকে, উচ্চ দক্ষতাসম্পন্ন পেশাজীবী ও ব্যক্তিরা খুব সহজেই ফ্রেশ পাসপোর্টে ভিসা পাওয়ার সুবিধা পাচ্ছেন এবং ফিলিপাইনে এসে নিজেদের ক্যারিয়ার গড়ছেন।
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর