নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
দীর্ঘমেয়াদি ও জটিল রোগে আক্রান্ত কোনো নিকটাত্মীয়ের ছুটির দিনটিকে আনন্দময় করে তুলতে খুব বড় কোনো আয়োজনের প্রয়োজন হয় না। অনেক সময় অনেক কথা বলা কিংবা বিরাট কিছু করার চেয়েও ছোটখাটো কিছু স্পর্শ ও উপস্থিতি বেশি ফলপ্রসূ হয়।
কখনও স্রেফ রোগীর শয্যার পাশে নিরবে গিয়ে বসা, গভীর মমতায় তাঁর হাত নিজের হাতে তুলে নেওয়া কিংবা মাথায় আলতো করে হাত বুলিয়ে দেওয়া হাজারটা শব্দের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী ভূমিকা পালন করে।
এই ধরনের নীরব উপস্থিতি ও শারীরিক সান্নিধ্য রোগীকে মনে করিয়ে দেয় যে, জীবনের বর্তমান পরিস্থিতি যেমনই হোক না কেন, তিনি কখনোই একা নন এবং তাঁর পরিজনেরা সর্বদা তাঁর পাশেই আছেন।
দুরারোগ্য ব্যাধির বিরুদ্ধে লড়াই সাধারণত দীর্ঘস্থায়ী প্রকৃতির হয়ে থাকে, তাই এই লড়াইয়ে রোগীর মানসিক মনোবল অটুট রাখার মূল দায়িত্ব বর্তায় তাঁর পরিবারের ওপরই।
সাপ্তাহিক ছুটির দিনে পরিবারের সদস্যদের নেওয়া এই ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ইতিবাচক পদক্ষেপগুলো রোগীদের মধ্যে বেঁচে থাকার আগ্রহ ও জীবনের প্রতি আকর্ষণ বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।
চিকিৎসকদের মতে, বহু সময় কেবল কড়া ওষুধের চেয়েও প্রিয়জনদের কাছ থেকে পাওয়া আন্তরিক হাসি এবং সামান্য একটুখানি ভালোবাসা রোগীর জন্য সবচেয়ে কার্যকর ও জাদুকরী পথ্য হিসেবে কাজ করতে পারে।
উপরে উল্লেখিত এই বিষয়গুলো ফুটিয়ে তুলেছেন ফিনিক্স ওয়েলনেস সেন্টার বিডির একজন চিকিৎসক, কাউন্সিলর ও সাইকোথেরাপি প্র্যাকটিশনার।
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর