নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে স্থানীয় বিএনপি নেতা জাহাঙ্গীর আলম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নতুন একটি অডিও রেকর্ড ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। প্রকাশিত এই ফোনালাপে উঠে এসেছে ঘটনার নেপথ্যের নানা চাঞ্চল্যকর তথ্য ও অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের সম্পৃক্ততার দাবি।
হেলাল নামের এক ব্যক্তির বর্ণনা অনুযায়ী, তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু রিয়াজের সঙ্গে খোকা ভাইয়ের মাধ্যমেই মূলত আলমগীর শিকদারের যোগাযোগ স্থাপিত হয়েছিল। এই যোগাযোগের নেপথ্যে আলমগীরের মনোনীত এক ব্যক্তি তাদের খাবারের সমস্ত ব্যয়ভার বহন করতেন বলে অডিওতে প্রকাশ পায়।
তবে ওই অর্থদাতা ও পৃষ্ঠপোষক ব্যক্তির নাম বলতে পারেননি হেলাল। অবশ্য তাঁর অবয়ব সম্পর্কে বিস্তারিত জানিয়ে তিনি বলেন যে ওই লোকটি অন্য এলাকার বাসিন্দা, শারীরিকভাবে বেশ লম্বা, গায়ের রঙ কালো এবং অত্যন্ত বিশালদেহী আকৃতির একজন সদস্য ছিলেন।
কথোপকথনে হেলাল আরও তথ্য দিয়ে জানান যে, ঘটনার কিছুদিন পূর্বে কারাগারে আটক থাকা অবস্থায় খোকা ভাই তাদের অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেন। বিশেষ করে আলমগীরের নাম কেন প্রকাশ করা হলো, তা নিয়ে তিনি তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন ও কৈফিয়ত তলব করেন।
হেলালের দৃঢ় দাবি ছিল যে, যেকোনো মূল্যে আলমগীরের নাম গোপন রাখার কঠোর নির্দেশনা তাদের প্রতি ছিল। এমনকি তিনি ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট জবানবন্দী দেওয়ার সময় আলমগীরের নাম উল্লেখ করেছেন বলেও ওই ফোনালাপে স্বীকারোক্তি দেন।
নিহত নেতার স্ত্রী তাসলিমা আক্তার চৌধুরী এই ফোনালাপটির সত্যতা সম্পূর্ণভাবে নিশ্চিত করেছেন। তিনি গণমাধ্যমকে জানান যে, স্থানীয় এক ব্যক্তির মাধ্যমে তিনি সংবাদ পান কারাগার থেকে কেউ একজন তাঁর সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করতে ইচ্ছুক। পরবর্তীতে সেই সূত্রের ধরেই তাঁর সঙ্গে হেলালের সরাসরি কথপোকথন হয় বলে তিনি নিশ্চিত করেন।
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর