নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
গভীর রাতে বাড়িতে ঢুকে এক নারীকে পরকীয়ার অপবাদ দিয়ে শারীরিক নির্যাতন এবং চুল কেটে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এই নারকীয় নির্যাতনের সময় ওই গৃহবধূর শরীরে মরিচের গুঁড়াও মেখে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরে ভুক্তভোগী নারী রাতে নিজ বাড়িতে ফিরে সমস্ত ঘটনা তার স্বামীকে জানান এবং ঝিনাইদহ সদর থানায় হাজির হয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
এই বর্বরোচিত ঘটনার সময় মায়ের আর্তচিৎকার শুনে ঘর থেকে দ্রুত বাইরে বেরিয়ে আসেন তার ছেলে। নিজের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে তিনি জানান যে তিনি তখন ঘরের ভেতর ঘুমাচ্ছিলেন। মায়ের কান্নার শব্দ শুনে বাইরে এসে তিনি দেখতে পান যে কয়েকজন ব্যক্তি তার মায়ের শরীরে ঝালের গুঁড়া মাখাচ্ছে।
তিনি যখন এই জঘন্য কাজের প্রতিবাদ করেন এবং বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেন, তখন ওই হামলাকারীরা তাকেও ছাড় দেয়নি। তারা লাঠি দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে বলে জানান তিনি।
এদিকে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা। তারা মন্তব্য করেছেন যে কারও বিরুদ্ধে যদি কোনো ধরনের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থেকেই থাকে, তবে তার বিরুদ্ধে আইনগতভাবে ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। এভাবে বলপ্রয়োগ করে কারো বাড়িতে জোরপূর্বক প্রবেশ করে একজন নারীকে মারধর করা, তার চুল কেটে দেওয়া এবং শরীরে মরিচের গুঁড়া মাখানোর মতো ঘটনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর