নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
গ্রামাঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরেই কানাকানি চলছিল যে, স্থানীয় এক ব্যক্তির সঙ্গে অন্য এক প্রতিবেশীর অনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। এই গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই এলাকার পরিবেশ কিছুটা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। মজনু ফকির নামের এক ব্যক্তি দাবি করেন যে এই কানাঘুষা সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
তিনি এই ধরনের সম্মানহানিকর গুজব ছড়ানোর জন্য সরাসরি শাহ আলী ফকিরকে দায়ী করেন। এই বিষয়টিকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে চরম অসন্তোষ দানা বাঁধতে শুরু করে।
গত ১৯ অক্টোবর তারিখের ঘটনা। ওই দিন দুপুর ঠিক সাড়ে ১২টার দিকে মজনু ফকির হঠাৎ করেই শাহ আলী ফকিরের ওপর চড়াও হন। তিনি প্রকাশ্যে বিভিন্ন অপ্রীতিকর ও অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করতে শুরু করেন।
পরিস্থিতি একপর্যায়ে উত্তপ্ত হয়ে উঠলে শাহ আলী ফকির এই অন্যায়ের প্রতিবাদ করেন। প্রতিবাদ করার সঙ্গে সঙ্গেই মজনু ফকির এবং তাঁর সঙ্গে থাকা লোকজন হিংস্রভাবে তাঁর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েন এবং মারধর শুরু করেন।
ঠিক সেই মুহূর্তে নিজের স্বামীকে প্রতিপক্ষের হাত থেকে বাঁচানোর জন্য মরিয়া হয়ে এগিয়ে আসেন তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা নারী মেরিনা খাতুন। তিনি হামলাকারীদের নিবৃত্ত করার চেষ্টা চালান।
কিন্তু হামলাকারীরা ক্ষান্ত হয়নি; বরং তাঁরা গর্ভবতী ওই গৃহবধূর ওপরও চড়াও হন। তাঁকে নির্মমভাবে মারধর করা হয় এবং একপর্যায়ে তাঁর পেটে সজোরে লাথি মারা হয়।
এই বর্বরোচিত শারীরিক নিগ্রহের ফলে ওই গৃহবধূ মারাত্মকভাবে জখম হন। পরবর্তীতে পুলিশ প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট মামলার এজাহারে এই পুরো ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ নথিভুক্ত করা হয়।
সূত্র: আজকের পত্রিকা
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর