নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
স্বজনদের ভাষ্য অনুযায়ী, পরিবারের আপনজনদের এমন বেদনাদায়ক ও অপ্রত্যাশিত মৃত্যুতে তাঁরা একদম স্তব্ধ হয়ে গেছেন। একটিমাত্র মারাত্মক দুর্ঘটনা নিমিষেই একটি পরিবারের গোটা প্রজন্মকে চিরতরে শেষ করে দিয়েছে। তরুণ নাফিজকে কেন্দ্র করে পুরো পরিবারের দীর্ঘমেয়াদি নানা স্বপ্ন ও ভবিষ্যতের সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা গড়ে উঠেছিল। তবে নিয়তির নির্মম পরিহাসে আজ সেই সমস্ত সোনালী স্বপ্ন কেবলই স্মৃতিতে পরিণত হয়েছে।
দুর্ঘটনার শিকার পরিবারটির সদস্যরা এই হৃদয়বিদারক ঘটনার জন্য সরাসরি রিসোর্ট কর্তৃপক্ষের চরম অবহেলা ও দায়িত্বহীনতাকে দায়ী করেছেন। তাঁদের তীব্র অভিযোগ, হোটেল বা রিসোর্টটিতে যদি পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ও প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা থাকত, তবে হয়তো এমন মর্মান্তিক পরিণতি এড়ানো সম্পূর্ণ সম্ভব হতো।
পারিবারিক সূত্রে আরও পরিষ্কার করা হয়েছে যে, ওই মর্মান্তিক সফরে তাঁরা মোট ১০ জন সদস্য মিলে কক্সবাজার ভ্রমণে গিয়েছিলেন। ভয়াবহ সেই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় প্রাণ হারানো অপর খালাতো বোন মেহজাবিনকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় সমাহিত করা হয়েছে।
অন্যদিকে, আগুনে নিহত অন্য দুই খালাতো বোন ইসরাত জাহান এবং লায়লা জাহান নাবিলাকে শেষ পর্যন্ত টাঙ্গাইল জেলার নাগরপুর উপজেলায় দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে।
উল্লেখ্য যে, গত ১৭ অক্টোবর পর্যটন নগরী কক্সবাজারের টুপটুপ রিসোর্টে এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছিল। তৎকালীন ওই দুর্ঘটনায় সবমিলিয়ে মোট ১১ জনের প্রাণহানির সংবাদ পাওয়া গিয়েছিল।
সূত্র: আজকের পত্রিকা
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর