নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
আসন্ন গরমের মৌসুমে লোডশেডিংয়ের মাত্রা অনেকটাই কমে আসবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে। বিদ্যুৎ খাতের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারা সাম্প্রতিক এক সংবাদ সম্মেলনে এই আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুতের আর্থিক দিক তুলে ধরে মিরানা মাহরুখ জানান, স্টোরেজ বা ব্যাটারিসহ সোলার সিস্টেমের প্রতি ইউনিটের মূল্য ১০ টাকা ৫০ পয়সা ঠিক করা হয়েছে। তবে ব্যাটারি ছাড়া এই বিদ্যুৎ উৎপাদনে খরচ দাঁড়ায় মাত্র ৩ থেকে ৪ টাকার মতো।
তিনি আরও যোগ করেন, যদি এর সঙ্গে চার ঘণ্টার ব্যাটারি ব্যাকআপ বা স্টোরেজ যুক্ত করা হয়, তবুও প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের সামগ্রিক খরচ আট টাকার নিচেই থাকবে।
ব্যবসায়ী সমাজের উদ্দেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিদ্যুৎ সচিব পরিষ্কার করেন যে, সৌরবিদ্যুতের প্যানেলসহ সায়ক সব উপকরণের আমদানিতে শুল্কছাড়ের সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে।
তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান যে এই বিশেষ কর সুবিধা কেবল স্বল্পমেয়াদী অর্থাৎ ছয় মাসের জন্য নয়, বরং কিছু নির্দিষ্ট পণ্যের ক্ষেত্রে তা ২০২৮ সাল পর্যন্ত এবং অন্য কিছু পণ্যে ২০৩০ সাল পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।
সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বপিডিপি) চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. রেজাউল করিম নিজের প্রত্যাশার কথা জানিয়ে বলেন, আগামী ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যেই সৌরশক্তি খাত থেকে ৩ হাজার থেকে ৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যোগ হবে।
অন্যদিকে পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশের (পিজিসিবি) পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, বর্তমান জাতীয় গ্রিডের অবকাঠামোগতভাবে ২৫ থেকে ২৬ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ নির্বিঘ্নে সঞ্চালনের পূর্ণ সক্ষমতা রয়েছে।
সংস্থাটির মূল্যায়ন অনুযায়ী, গ্রিডের এই সক্ষমতার ভেতরে থেকে সৌরবিদ্যুৎ খাত থেকে আসা ৩ হাজার থেকে ৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ খুব সহজেই সফলভাবে গ্রহণ করা সম্ভব হবে।
সূত্র: আজকের পত্রিকা
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর