নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
মাঠের পরিবেশ মুহূর্তের মধ্যে সম্পূর্ণ বদলে যায় এবং প্রতিদ্বন্দ্বী দলের ফুটবলারদের মাঝে চরম ভীতি ছড়িয়ে পড়ে। যিশু দে মিগুয়েলের বেশ কয়েকজন সহযোদ্ধার চোখে তখন জল দেখা যায়।
পরিস্থিতির ভয়াবহতা অনুধাবন করে ওওনোকে সরাসরি লাল কার্ড দেখানোর সঙ্গে সঙ্গেই খেলাটি পুরোপুরি বন্ধ ঘোষণা করেন রেফারি ম্যানুয়েল পেরেজ।
স্পেনের সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, অ্যাম্বুলেন্সে করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময় দে মিগুয়েলের হার্টবিট বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।
সেই মুহূর্তে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা প্রদান করে তাঁকে পুনরায় জীবন ফিরিয়ে দেন চিকিৎসাকর্মীরা। পরবর্তীতে তাঁকে নুয়েস্ত্রা সেনিওরা দে ক্যান্ডেলারিয়া ইউনিভার্সিটি ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়।
সিডি টেনেরিফ ক্লাব জানিয়েছে, যিশু দে মিগুয়েল তাঁর মাথা ও বুকে অত্যন্ত গুরুতর চোট পেয়েছেন।
তা সত্ত্বেও তাঁর শারীরিক অবস্থা এই মুহূর্তে অনেকটাই স্থিতিশীল রয়েছে। এমন এক ভয়াবহ বিপদের পর এই সুসংবাদটি ক্লাব ও তাদের সমর্থকদের মনে কিছুটা হলেও স্বস্তি এনে দিয়েছে।
যিশু দে মিগুয়েলের দ্রুত আরোগ্য কামনা করে একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশ করেছে এফসি আন্দোরা ক্লাব।
ক্লাবের সেই বার্তার ভাষা ছিল এমন—'আজকের খেলায় বড় ধরনের দুর্ঘটনার শিকার যিশু দে মিগুয়েলের প্রতি আমরা আমাদের পূর্ণ সমর্থন ও শুভকামনা জানাতে চাই। আমরা আশা করি, সে খুব দ্রুত সুস্থ হয়ে মাঠে ফিরবে।'
স্পেনিশ ফুটবলের বিভিন্ন স্তরের ক্লাবগুলোও দে মিগুয়েলের প্রতি গভীর সমবেদনা ও সহমর্মিতা জানিয়েছে।
রেকর্ড পরিমাণ ট্রফি জয় করা রিয়াল মাদ্রিদ, এফসি ভ্যালেন্সিয়া এবং রায়ো ভায়েকানোসহ নামী দামী বেশ কয়েকটি ক্লাব তাঁর দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছে।
সূত্র: আজকের পত্রিকা
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর