নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার প্রশাসনের হোয়াইট হাউসের নতুন চিফ অব স্টাফ পদের জন্য স্টিফেন মিলারের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছেন। স্থানীয় সময় গত শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে একটি বিশেষ পোস্টের মাধ্যমে এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কথা জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
ওই সামাজিক মাধ্যম পোস্টে ট্রাম্প মিলারের উচ্চ প্রশংসা করে তাকে নিজের ‘সবচেয়ে বিশ্বস্ত উপদেষ্টাদের একজন’ হিসেবে অভিহিত করেন। এর আগে তিনি হোয়াইট হাউসের ডেপুটি চিফ অব স্টাফের গুরুদায়িত্ব পালন করছিলেন।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আরও জানান যে, স্টিফেন মিলার আগামী সোমবারই হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফের পদটিতে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্বভার গ্রহণ করবেন। বর্তমান দায়িত্বে থাকা সুসি ওয়াইলসের স্থলাভিষিক্ত হবেন তিনি, যিনি এর আগে হোয়াইট হাউসের প্রথম নারী চিফ অব স্টাফ হিসেবে ইতিহাস গড়েছিলেন।
সুসি ওয়াইলসের অবদানকে স্মরণ করে ট্রাম্প তার ওই পোস্টে লেখেন, হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ হিসেবে সুসি যে সেবা দিয়েছেন, তার জন্য আমি তাকে ধন্যবাদ জানাই। তিনি সেখানে অত্যন্ত অসাধারণ কাজ সম্পন্ন করেছেন।
এছাড়া ট্রাম্প তার পোস্টে নতুন দায়িত্বের বিষয়ে জানান যে, সুসি ওয়াইলস এখন থেকে তার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের দেখভালের দায়িত্বে সরাসরি যুক্ত হবেন এবং সেই অনুযায়ী কাজ করবেন।
উল্লেখ্য যে, ট্রাম্পের দুটি মেয়াদেই অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সহযোগী এবং শীর্ষস্থানীয় উপদেষ্টাদের একজন হিসেবে পরিচিত মুখ স্টিফেন মিলার। ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর সীমান্ত নীতি এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকে অভিবাসীদের ব্যাপকভাবে বহিষ্কারের নীতির অন্যতম মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবেও তিনি বিশেষভাবে পরিচিত। সাম্প্রতিক মধ্যবর্তী নির্বাচনে এই নীতিগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি রাজনৈতিক ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছিল।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা অনুযায়ী, আগামী বছরের জানুয়ারিতে মার্কিন কংগ্রেসের প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটের নিয়ন্ত্রণ ডেমোক্র্যাটরা নিজেদের হাতে পাওয়ার পর তারা স্টিফেন মিলারের বিরুদ্ধে নানা ধরনের তদন্ত কার্যক্রম শুরু করতে পারে।
সূত্র: জাতীয় দৈনিক আমার সকাল টিম।
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর