নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
দুপুর গড়িয়ে যাওয়ার প্রাক্কালে মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বর এলাকা থেকে আন্দোলনরত শ্রমিকেরা সরে যান এবং সরাসরি মিরপুর-১ নম্বরের শাহ আলী এলাকায় এসে সমবেত হতে শুরু করেন।
এরপর ঘড়ির কাঁটায় তখন বেলা ২টা বেজে ৫ মিনিট পার হচ্ছিল, ঠিক সেই মুহূর্তে শাহ আলী থানাধীন এলাকায় অবস্থিত হিমালয় গার্মেন্টসের নিজস্ব নিরাপত্তাকর্মীদের সঙ্গে সেখানে অবস্থান নেওয়া আন্দোলনকারী শ্রমিকদের ত্রিমুখী সংঘর্ষ বেঁধে যায়।
এই রক্তক্ষয়ী বা উত্তেজনাকর সংঘর্ষের চরম এক পর্যায়ে ক্ষুব্ধ শ্রমিকেরা উল্লিখিত পোশাক কারখানার ভেতরে প্রবেশ করে ব্যাপক ভাঙচুর কার্যক্রম পরিচালনা করেন এবং পরিস্থিতি আরও ঘোলাটে করে তোলেন।
কারখানা প্রাঙ্গণ ছাড়াও ঠিক পাশেই অবস্থিত ব্যস্ততম বাগদাদ শপিং কমপ্লেক্সের ভেতরেও একই ধরনের ভাঙচুরের ভয়াবহ ঘটনা ঘটে, যা চারপাশের জনজীবনকে বিপর্যস্ত করে তোলে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তথা পুলিশের কাছে থাকা ঘটনার বিস্তারিত বিবরণী অনুযায়ী, ঘটনার সূচনা হয় মূলত বাগদাদ শপিং কমপ্লেক্সের ভেতরে অবস্থানরত বিক্ষুব্ধ শ্রমিকদের সঙ্গে স্থানীয় দোকানমালিক ও কর্মচারীদের হাতাহাতির মাধ্যমে।
প্রাথমিক এই হাতাহাতির ঘটনার পরপরই ওই মার্কেটে থাকা শ্রমিকেরা তৎক্ষণাৎ মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বরে অবস্থান নেওয়া তাদের অন্যান্য সহকর্মীদের ফোনে কল করে দ্রুত শাহ আলী এলাকায় চলে আসার আহ্বান জানান।
ফোনে কল পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই মিরপুর-১০ নম্বর থেকে প্রায় তিনশ থেকে চারশতাধিক অতিরিক্ত শ্রমিক দলবেঁধে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন এবং ওই শপিং মার্কেটটিতে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর সম্পন্ন করেন।
এই আকস্মিক ও সহিংস ভাঙচুরের ঘটনার জেরে পুরো এলাক জুড়েই এক ধরনের তীব্র আতঙ্ক এবং ভয়ের পরিবেশ ছড়িয়ে পড়ে, যার ফলে সাধারণ মানুষ চরম উৎকণ্ঠার মধ্যে দিন কাটান।
সূত্র: আজকের পত্রিকা
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর