নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
গত ১৩ অক্টোবর গঠিত একটি বিশেষ তদন্ত কমিটি তাদের পূর্ণাঙ্গ অনুসন্ধান শেষে বোর্ডের সচিব অধ্যাপক ড. মো. আব্দুর রউফের দপ্তরে প্রতিবেদনটি জমা দেয়। এরপর সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হতে পারে, তা নির্ধারণের উদ্দেশ্যে ওই তদন্ত প্রতিবেদনটি যথাযথ অনুমোদনের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা হয়। অন্যদিকে, নিয়মের গুরুতর বরখেলাপ করায় পরীক্ষক সেকেন্দার আলীকে দেশের যেকোনো পাবলিক পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নের কাজ থেকে চিরতরে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
শুধু তা-ই নয়, অভিযুক্ত ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানিয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) দপ্তরেও একটি আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠিয়েছে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ড কর্তৃপক্ষ।
ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরে বোর্ডের সচিব অধ্যাপক ড. মো. আব্দুর রউফ গণমাধ্যমকে জানান যে, এই বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে ইতোমধ্যে একটি ফিরতিপত্র এসে পৌঁছেছে। মন্ত্রণালয় তাদের তদন্ত কার্যক্রমের উচ্চ প্রশংসা করার পাশাপাশি সুনির্দিষ্ট কিছু দিকনির্দেশনা প্রদান করেছে এবং দ্রুত যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার তাগিদ দিয়েছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, এই ঘটনার সার্বিক দিক পর্যালোচনার জন্য আগামী ২ নভেম্বর শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা শৃঙ্খলা কমিটির একটি গুরুত্বপূর্ণ সভা ডাকা হয়েছে। ওই সভায় অভিযুক্ত পরীক্ষক ও শিক্ষার্থীর বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা সাপেক্ষে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।
সূত্র: আজকের পত্রিকা
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর