নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
তরুণ শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানমনস্ক করে তোলার লক্ষ্য নিয়ে আজ সকাল থেকে শুরু হয়েছে এবারের ষোড়শ জাতীয় রসায়ন অলিম্পিয়াডের উৎসবমুখর কার্যক্রম। এই আয়োজনের অংশ হিসেবে বিভিন্ন আঞ্চলিক কেন্দ্র থেকে প্রতিযোগীদের মেধার মূল্যায়ন করা হচ্ছে।
প্রথম ধাপের এই মূল্যায়নে প্রতিটি ভেন্যু থেকে সেরাদের তালিকায় থাকা প্রথম দশজন করে প্রতিযোগীকে পুরস্কৃত করা হবে।
সারাদেশের আঞ্চলিক পর্ব পেরিয়ে মেধার ভিত্তিতে নির্বাচিত মোট দুইশ জন প্রতিনিধি আগামী ছাব্বিশে নভেম্বর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগে নির্ধারিত চূড়ান্ত লড়াইয়ে অংশ নেবেন।
সর্বোচ্চ ফলাফলের ভিত্তিতে এই চূড়ান্ত পর্যায় থেকে চারজন কৃতি শিক্ষার্থীকে আগামী সাতাশ সালের জুলাই মাসে তাইওয়ানের তাইপে শহরে বসতে যাওয়া বিশ্বমঞ্চের জন্য মনোনীত করা হবে।
নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী আগামী বছরের উনিশ থেকে আটাশ জুলাই আন্তর্জাতিক এই অলিম্পিয়াড অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে, যেখানে লাল-সবুজের পতাকা নিয়ে তারা বিশ্বমঞ্চে লড়বে।
উৎসবের সার্বিক প্রস্তুতি ও কার্যক্রম সম্পর্কে বলতে গিয়ে এই আসরের আহ্বায়ক এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক মো. আমিনুল হক সংবাদমাধ্যমকে বিস্তারিত জানান।
তিনি উল্লেখ করেন যে, উচ্চশিক্ষার এই প্রাচীন বিদ্যাপীঠটি দ্বিতীয়বারের মতো এমন একটি মর্যাদাপূর্ণ জাতীয় বিজ্ঞান উৎসবের আয়োজক হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে।
আজ সকাল থেকেই বিভিন্ন ভেন্যুতে নির্ধারিত পরীক্ষা প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং তা সুশৃঙ্খলভাবে এগিয়ে চলেছে বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি আরও যোগ করেন যে, রাজধানী ঢাকার প্রধান আঞ্চলিক কেন্দ্রটিতে প্রায় তিন শ জন উৎসাহী শিক্ষার্থী এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে মেধা যাচাই করছেন।
আজ বিকেলের মধ্যেই দেশের সব প্রান্তের কেন্দ্রগুলোর মূল্যায়ন সম্পন্ন করে ফলাফল হাতে পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রাথমিক এই যাচাই পর্বের সফল বিজয়ী প্রতিযোগীরাই পরবর্তীতে নির্ধারিত সময়ে চূড়ান্ত রাউন্ডে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণের সুযোগ পাবে।
সূত্র: আজকের পত্রিকা
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর