নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
বাংলাদেশ ক্রিকেট ও ফুটবল দলের প্রধান কোচ ফিল সিমন্স এবং টমাস ডুলির কৌশলগত সিদ্ধান্তে এক অদ্ভুত মিল দেখা গেছে ২৪ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের লড়াইয়ে ভুটান ম্যাচে ফুটবল কোচ ডুলি ডিফেন্ডার বিশ্বনাথ ঘোষকে আক্রমণভাগে স্ট্রাইকার পজিশনে ব্যবহার করেছিলেন। ঠিক তেমনই ক্রিকেট দলের কোচ সিমন্স ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ম্যাচে স্পেশালিস্ট স্পিনার নাঈম হাসানকে ইনিংসের ওপেনিংয়ে পাঠিয়েছেন।
সিলেট টেস্টের প্রথম ইনিংসে ক্যারিবীয়দের পুরো দল ৩৫৬ রানে অলআউট হওয়ার পর ব্যাটিংয়ে নামে স্বাগতিক বাংলাদেশ। তানজিদ হাসান তামিমের সঙ্গে ওপেনিংয়ে স্বাভাবিকভাবেই অন্য কাউকে নামার কথা থাকলেও, সেখানে দেখা যায় স্বীকৃত স্পিনার নাঈমকে। মূলত নিয়মিত ওপেনার সাদমান ইসলামের আকস্মিক চোটের কারণে বাধ্য হয়েই এই কৌশলগত সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে টাইগারদের কোচ ফিল সিমন্সকে।
ম্যাচের প্রথম দিনে খেলা শুরুর প্রাক্কালে বাউন্ডারি লাইনে ফিল্ডিং করার সময় গোড়ালিতে মারাত্মক চোট পান ওপেনার সাদমান ইসলাম। তাঁর আঘাতের ধরন এতটাই গুরুতর ছিল যে, পরবর্তীতে তাকে মাঠ থেকে সরাসরি স্ট্রেচারে করে বাইরে নিয়ে যেতে বাধ্য হন চিকিৎসকেরা। দলে একজন ওপেনারের ঘাটতি তৈরি হওয়ায় কোচ সিমন্স বাধ্য হয়েই ব্যাটার তামিমের সঙ্গী হিসেবে স্পিনার নাঈমকে ইনিংসের সূচনা করার দায়িত্ব দেন।
অবশ্য টিম ম্যানেজমেন্টের আস্থার পূর্ণ প্রতিদান দিয়ে উইকেটে দীর্ঘক্ষণ টিকতে পারেননি তরুণ নাঈম হাসান। পেসার জেডন সিলসের করা ইনিংসের পঞ্চম ওভারের একেবারে দ্বিতীয় বলটিতে তিনি প্রতিপক্ষের ফিল্ডার ব্র্যান্ডন কিংয়ের হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে সাজঘরে ফিরে যান। ওপেনিংয়ে নেমে মাত্র ৫ রান সংগ্রহ করার সুযোগ পেয়েছিলেন এই স্পিনার।
নাঈম দ্রুত আউট হয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরে যাওয়ায় বাংলাদেশ দলের ইনিংসের সূচনা অত্যন্ত নড়বড়ে হয়ে পড়ে। স্কোরবোর্ডে মাত্র ১৩ রান যোগ হতেই প্রথম উইকেটের পতন ঘটে স্বাগতিকদের। ক্যারিবিয়ানদের করা বিশাল ৩৫৬ রানের সংগ্রহ টপকে স্কোরবোর্ডে লিড সংগ্রহ করতে হলে নাজমুল হোসেন শান্তর দলকে এখন বেশ বড় ধরনের কঠিন পরীক্ষার মুখেই পড়তে হবে।
সূত্র: আজকের পত্রিকা
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর