ঢাকা | বঙ্গাব্দ

যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটে ট্রাম্পের রাজনৈতিক বিপর্যয়

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Nov 4, 2026 ইং
যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটে ট্রাম্পের রাজনৈতিক বিপর্যয় ছবির ক্যাপশন:
ad728

নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর

বাস্তব পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন রূপ ধারণ করে এবং ওই সামরিক পদক্ষেপ ইরানের প্রতিরোধ স্পৃহা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। মাত্র কয়েক সপ্তাহ পার হতে না হতেই যুক্তরাষ্ট্র এমন এক জটিল সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে, যার জেরে মার্কিন সেনাসদস্যদের প্রাণহানি ঘটে এবং হরমুজ প্রণালির মধ্য দিয়ে তেল সরবরাহ সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। এর প্রত্যক্ষ ফলস্বরূপ গোটা বিশ্বজুড়ে তীব্র জ্বালানি সংকট সৃষ্টি হয়।

শুরুতে ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তাঁর উচ্চপদস্থ সহযোগীরা এই যুদ্ধের সম্ভাব্য পরিণতিগুলোকে হালকা করে দেখানোর প্রয়াস পান। তাঁদের দাবি অনুযায়ী, সংঘাত প্রায় জয়ের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গেছে এবং শেষ পর্যন্ত এটি বড়জোর চার থেকে ছয় সপ্তাহ স্থায়ী হবে। অথচ সামরিক সংঘাতের একেবারে সূচনালগ্নেই ট্রাম্পের দুয়েকজন ঘনিষ্ঠ উপদেষ্টা একান্ত আলাপে অনুধাবন করতে পেরেছিলেন যে, এই অপরিপক্ব সিদ্ধান্ত বড় ধরনের রাজনৈতিক ধস নামাতে পারে। সেই মুহূর্তে ট্রাম্পের একজন উপদেষ্টা গভীর হতাশা ব্যক্ত করে মন্তব্য করেছিলেন, আমাদের কেন এই পদক্ষেপ নিতে হলো, তা অসংখ্য মানুষই বুঝে উঠতে পারছেন না।

তিনি আরও যোগ করেন, এই আকস্মিক সিদ্ধান্ত মধ্যবর্তী নির্বাচনকে সামনে রেখে বিগত বেশ কয়েকমাস ধরে অত্যন্ত নিখুঁতভাবে সাজানো সমস্ত নির্বাচনী প্রস্তুতিকে পুরোপুরি পণ্ড করে দিয়েছে। ওই উপদেষ্টা অত্যন্ত সতর্ক করে দিয়ে বলেছিলেন, তেলের দাম যদি প্রতি ব্যারেলে একশ ডলারে গিয়ে ঠেকে, তবে কী পরিস্থিতি দাঁড়াবে তা কেউ জানে না। এটি যে একটি বড় রাজনৈতিক ঝুঁকি, সে বিষয়ে বিন্দুমাত্র সন্দেহের অবকাশ নেই।

পরবর্তী কয়েকমাসে দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি আরও বেশি অবনতির দিকে ধাবিত হয়। এই যুদ্ধ তখন রাজনৈতিক অঙ্গনের মূল কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসে এবং ট্রাম্পের নিজস্ব রাজনৈতিক এজেন্ডাগুলোও সম্পূর্ণ ঢাকা পড়ে যায়। প্রেসিডেন্টের নানামুখী অর্জন দেশবাসীর সামনে তুলে ধরার লক্ষ্যে দেশজুড়ে যে দীর্ঘ সফরের কর্মসূচি ঠিক করা হয়েছিল, তা শেষ পর্যন্ত স্থগিত করা হয়। এমনকি ট্রাম্পের প্রায় চল্লিশ কোটি ডলারের বিশাল নির্বাচনী তহবিল ঠিক কোন কোন খাতে এবং কোন সময়ে খরচ করা হবে, সে ধরনের অতি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত সিদ্ধান্তগুলোও বারবার পেছানো হয়।

ঘনিষ্ঠ মিত্রদের মূল্যায়নে এটি স্পষ্ট হয়ে ওঠে যে, সবচেয়ে বড় ক্ষতিটি ঘটেছিল ট্রাম্পের নিজস্ব রাজনৈতিক পরিচয়ের সঙ্গে এই যুদ্ধের সরাসরি বিরোধের কারণে। তিনি এতদিন ধরে নিজেকে এমন একজন রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে জাতির সামনে উপস্থাপন করে আসছিলেন, যিনি দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে এবং যুক্তরাষ্ট্রকে বিদেশের কোনো সশস্ত্র সংঘাতে জড়ানো থেকে বিরত রাখতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

সংঘাত যখন দ্বিতীয় মাসে পদার্পণ করে, ঠিক সেই সময়ে তেলের দাম প্রতি ব্যারেল একশ ডলারে উন্নীত হয় এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি গ্যালন পেট্রলের মূল্য চার ডলারের কাছাকাছি গিয়ে পৌঁছায়। এই পরিস্থিতিতে ট্রাম্পের এক মিত্র হোয়াইট হাউসের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, তাঁরা নিজেদের মূল সমর্থক শ্রেণির মধ্যে যে তীব্র বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি হতে পারে, তা মারাত্মকভাবে অবমূল্যায়ন করেছিলেন। এপ্রিলে যদি আমরা এই বিষয়টিকে নিয়ে যথেষ্ট পরিমাণে উদ্বিগ্ন না হই, তবে নভেম্বরে আমাদের রাজনৈতিকভাবে সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যেতে হবে।

গ্রীষ্মকাল ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গেই বিষয়টি দিবালোকের মতো পরিষ্কার হয়ে যায় যে, ট্রাম্পের বারবার দাবি করা সেই পূর্ণাঙ্গ ও চূড়ান্ত বিজয় বাস্তবে ঘটেনি। বরং পুরো মধ্যবর্তী নির্বাচনী প্রচারের সময়জুড়ে এই যুদ্ধ একটি প্রধান রাজনৈতিক সংকটের বিষয় হয়ে টিকে থাকে। জুনের দিকে স্বল্পস্থায়ী যুদ্ধবিরতির চুক্তি ভেস্তে যাওয়ায় রিপাবলিকান প্রার্থীরা এই সংঘাতের বিষয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট ও স্পষ্ট বার্তা ভোটারদের দিতে ব্যর্থ হন। অথচ অর্থনীতির যেসব মজবুত স্তম্ভের ওপর ভর করে তারা নির্বাচনী বৈতরণী পার হওয়ার পরিকল্পনা এঁকেছিলেন, তার একে একে সবকটিই ভেঙে পড়তে শুরু করে।

পেট্রলের দাম প্রতি গ্যালন চার ডলারের গণ্ডি পেরিয়ে আরও দ্রুতগতিতে ওপরে উঠতে থাকে। পাশাপাশি নিত্যপ্রয়োজনীয় মুদি পণ্যের বাজারদরও মারাত্মকভাবে ঊর্ধ্বমুখী হয়ে দাঁড়ায়। দেশের বিভিন্ন জনমত জরিপের ফলাফল থেকে স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে যে, যিনি প্রথম দিন থেকেই সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার খরচ নাটকীয়ভাবে কমিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, সেই দেশটির প্রেসিডেন্টের প্রতিই ভোটারদের ক্ষোভ ও অসন্তোষ হু হু করে বেড়ে চলেছে।

রিপাবলিকান শিবিরের ভেতরে থাকা কিছু প্রভাবশালী মহল, আইনপ্রণেতা এবং তাঁদের পরামর্শকরা নির্বাচনী প্রচারণার শেষ পর্যায়ে এসে ট্রাম্পের কাছ থেকে ঠিক কতখানি এবং কীভাবে দূরত্ব বজায় রাখা সম্ভব, সে বিষয়ে গোপনে নানা হিসাব-নিকাশ কষতে শুরু করেন। ইতিমধ্যে তাঁদের মধ্য থেকে কয়েকজন ট্রাম্পের মূল্যবৃদ্ধিকারী শুল্কনীতির কঠোর সমালোচনা করেন অথবা চলমান যুদ্ধ নিয়ে নিজেদের তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করতে পিছপা হননি। তবে এ ধরনের সমালোচনাগুলো করা হয়েছিল অত্যন্ত হিসাবি ও সতর্কতার সঙ্গে। এমনকি কিছু নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে সমালোচনামূলক কোনো মন্তব্য করার আগেই হোয়াইট হাউসকে সেই বিষয়ে পূর্বানুমতি বা আগাম বার্তা দেওয়া হয়েছিল।

তবে ট্রাম্পের ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা একেবারে তলানিতে ঠেকে যাওয়ার পরেও অধিকাংশ শীর্ষস্থানীয় রিপাবলিকান নেতা তাঁর বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কোনো অবস্থান নিতে সাহস পাননি। তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ এমনটি ভেবেছিলেন যে, গত আটর মাস ধরে ট্রাম্পের প্রতিটি খামখেয়ালি বা পদক্ষেপের পক্ষে অন্ধের মতো সাফাই গাওয়ার পর এখন হঠাৎ করে তাঁর সঙ্গ ত্যাগ করলে মধ্যপন্থী বা দোদুল্যমান ভোটারদের কাছে তাঁদের নিজস্ব বিশ্বাসযোগ্যতা তিলমাত্র বাড়বে না। বরং ট্রাম্পের উগ্র মাগা সমর্থকদের কাছে তাঁদের বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থান নিশ্চিতভাবেই প্রশ্নবিদ্ধ ও দুর্বল হয়ে পড়বে।

অন্য আরেকটি অংশ ট্রাম্পের ব্যক্তিগত রাগ বা প্রতিশোধের শিকার হওয়ার ভয়ে এমন আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত গ্রহণ থেকে নিজেদের বিরত রেখেছিলেন। তাঁদের প্রাথমিক হিসাবটি এমন ছিল যে, শেষ পর্যন্ত সব পরিস্থিতি নীরবে মেনে নিয়ে কোনোমতে টিকে থাকার চেষ্টা করাটাই শ্রেয়। তাদের সুপ্ত আশা ছিল যে, ট্রাম্পের অনুগত ও একনিষ্ঠ সমর্থকেরা শেষ মুহূর্তে তাঁদের ঠিকই নির্বাচনী বৈতরণী পার করে বিজয়ী করে আনবে।

হোয়াইট হাউসের অন্দরে প্রারম্ভিক পর্যায়ে রিপাবলিকান দলের নীতিনির্ধারণী সাফল্যগুলো দেশবাসীর সামনে প্রচার করা এবং কংগ্রেসে নিজেদের নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা যেকোনো মূল্যে ধরে রাখার জন্য যে বিস্তৃত কর্মপরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছিল, তা শেষ পর্যন্ত মারাত্মকভাবে সংকুচিত হয়ে পড়ে। সেটি পরে কেবল ট্রাম্পের মাগা সমর্থকদের শেষ মুহূর্তের জন্য যেকোনো উপায়ে ভোটকেন্দ্রে টেনে আনার এক মরিয়া রাজনৈতিক প্রচেষ্টায় পর্যবসিত হয়।

গত একুশ অক্টোবর হোয়াইট হাউসে বৈদেশিক প্রতারণামূলক ক্রিপ্টোকারেন্সি বিনিয়োগ প্রকল্পসমূহ এবং সেগুলোর বিরুদ্ধে যথাযথ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে ট্রাম্প প্রশাসনের নানামুখী উদ্যোগ নিয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করা হয়, যেখানে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড স্বয়ং ডোনাল্ড ট্রাম্প উপস্থিত থেকে অংশ নেন। ওই বিশেষ বৈঠকে তাঁর সঙ্গে মার্কিন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কওয়েন মুলিন এবং দেশের অ্যাটর্নি জেনারেল টড ব্ল্যাঞ্চও অত্যন্ত সক্রিয়ভাবে উপস্থিত ছিলেন।

প্রেসিডেন্ট নিজে অবশ্য সার্বিক নির্বাচনী প্রচারণার খুঁটিনাটি কৌশল ও পরিকল্পনাগুলো থেকে অনেকটাই বিচ্ছিন্ন ও দূরে অবস্থান করছিলেন। কখনো সখনো তিনি তাঁর আশপাশে থাকা লোকজনকে উদ্দেশ্য করে অবলীলায় বলতেন যে, নিজের ওপর অর্পিত রাজনৈতিক দায়িত্ব তিনি ইতিমধ্যেই সফলভাবে সম্পন্ন করেছেন এবং হোয়াইট হাউসের মসনদে বিজয়ী হয়ে এসেছেন। এর ব্যতিক্রম হিসেবে ট্রাম্প ওয়াশিংটন শহরের বিভিন্ন আকর্ষণীয় নির্মাণ প্রকল্পগুলোর কাজ ব্যক্তিগতভাবে তদারকি করার পেছনে তাঁর মূল্যবান সময়ের একটি অস্বাভাবিক ও বড় অংশ ব্যয় করছিলেন।

তাঁর দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক উত্তরাধিকার বা লেগাসির জন্য এই নির্মাণ প্রকল্পগুলো অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে তিনি মনে করতেন। অথচ দেশের বিপুলসংখ্যক সাধারণ মার্কিন নাগরিকের কাছে এই সমস্ত কার্যকলাপ কেবলই সময়ের অপচয় এবং অর্থের অপচয় ছাড়া আর কিছুই মনে হতো না।

আমেরিকান ভোটারদের মনকে সবচেয়ে বেশি নাড়া দেওয়া এবং ভাবিয়ে তোলা জ্বলন্ত বিষয়গুলো নিয়ে যখনই তিনি কথা বলতেন, তখন খুব সহজেই সেগুলোকে স্রেফ উড়িয়ে দেওয়ার এক অদ্ভুত মানসিকতা প্রকাশ করতেন। ট্রাম্প নিয়মিত ও জোরালোভাবে এই দাবি করে আসতেন যে, দেশের বাজারে পেট্রলের দাম অচিরেই অস্বাভাবিক মাত্রায় কমে যাবে।

ইরানের সঙ্গে চলমান এই সশস্ত্র সংঘাতকে তিনি একটি স্রেফ স্বল্পমেয়াদি সামান্য কষ্ট হিসেবে অভিহিত করে জোর দিয়ে বলতেন যে, এই সাময়িক মূল্য পরিশোধ করাটা আসলেই সার্থক হয়েছে। বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য জনমত জরিপে এই ধরনের নীতিগুলোর পক্ষে-বিপক্ষে দুই দলের সাধারণ ভোটারদের মধ্যেই গভীর ও তীব্র সংশয় প্রকাশ পেলেও তিনি তাঁর বিতর্কিত শুল্কনীতির ভূয়সী প্রশংসা করতেন এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতকে নিঃশর্তভাবে সমর্থন জুগিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিতেন।

এদিকে দেশের সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয়বৃদ্ধির অসহনীয় যন্ত্রণা নিয়ে যখন সাধারণ আমেরিকান নাগরিকদের মাঝে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছিল, ঠিক সেই সময়ে প্রথমদিকে ট্রাম্প পুরো বিষয়টিকে একটি নিছক প্রতারণা বলে সম্পূর্ণ উড়িয়ে দিয়েছিলেন। রাষ্ট্রপতির মুখ থেকে এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্য আসার পর প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা সেই সামাল দেওয়া বক্তব্যটি নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছিলেন এবং তা সামলিয়ে উঠতে তাঁদের যথেষ্ট হিমশিম খেতে হয়েছিল বলে এক প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও এক উপদেষ্টা গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।

কিন্তু তাঁদের সমস্ত আশাকে ধুলিস্যাৎ করে দিয়ে পরবর্তীতেও ডোনাল্ড ট্রাম্প বারবার একই ধরনের কথা জনসমক্ষে বলে যেতে থাকেন। এমনকি একপর্যায়ে এই বিতর্কিত বিষয়টি তাঁর নির্বাচনী জনসভার নিয়মিত ও প্রাত্যহিক বক্তব্যের একটি অপরিহার্য অংশে পরিণত হয়। গত সেপ্টেম্বর মাসে উত্তর ক্যারোলাইনা অঙ্গরাজ্যের এক বিশাল জনসভায় দাঁড়িয়ে ট্রাম্প অত্যন্ত ক্ষোভের সঙ্গে অভিযোগ করে বলেছিলেন, এটি এমন একটি উদ্ভট শব্দ, যা তারা নিজেরাই অত্যন্ত সুকৌশলে তৈরি করেছে। আর এই জীবনযাত্রার ব্যয়সংক্রান্ত সম্পূর্ণ কৃত্রিম শব্দটি ব্যবহার করে দীর্ঘ দেড় বছর ধরে আমাকে অবিরাম রাজনৈতিক আক্রমণ চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

সূত্র: আজকের পত্রিকা


নিউজটি পোস্ট করেছেন : জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
যশোরে খাঁটি খেজুর গুড় উৎপাদনে ১৫ গাছির শপথ

যশোরে খাঁটি খেজুর গুড় উৎপাদনে ১৫ গাছির শপথ