ঢাকা | বঙ্গাব্দ

নাসিরুদ্দিন শাহের সংশয় পেরিয়ে অনভ্যস্ত মুখেই সফল ‘পায়ার’

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Nov 7, 2026 ইং
নাসিরুদ্দিন শাহের সংশয় পেরিয়ে অনভ্যস্ত মুখেই সফল ‘পায়ার’ ছবির ক্যাপশন:
ad728

নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর

প্রারম্ভিক পর্যায়ে আসল ওই দুই দম্পতিকে নিয়েই চলচ্চিত্র নির্মাণের কথা ভেবেছিলেন পরিচালক। সাত দিন চিত্রগ্রহণ চলার পর তাঁর উপলব্ধি হয় যে ভাবনাটি সঠিক পথে এগোচ্ছে না। পরবর্তীতে মূল ভূমিকায় অভিনয়ের প্রস্তাব নিয়ে তিনি যোগাযোগ করেন অভিনয়শিল্পী জুটি নাসিরুদ্দিন শাহ ও রত্না পাঠকের সাথে। তারা দুজনেই বাস্তব জীবনে পতি-পত্নী।

কাহিনি ও চিত্রনাট্য ভালো লাগলেও শাহের সংশয় ছিল যে তারা সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের বাসিন্দা নন। ফলে ওই নির্দিষ্ট চরিত্র দুটির প্রতি পূর্ণ ন্যায়বিচার করা তাদের পক্ষে দুরূহ হতে পারে বলে তিনি মনে করেছিলেন।

পরিশেষে নিজের রক্তের সম্পর্কের মধ্যেই পদ্ম সিং চরিত্রের শিল্পী পেয়ে যান নির্মাতা কাপরি— তিনি সম্পর্কে পরিচালকের কাকার ছোট ভাই এবং একজন সাবেক সেনা কর্মকর্তা। অভিনয়ে অনুরাগ থাকায় তাকেই এই ভূমিকার জন্য নির্ধারণ করেন।

অপরদিকে তুলসী চরিত্রের প্রয়োজনে পার্শ্ববর্তী একটি জনপদ থেকে নির্বাচন করা হয় হীরা দেবীকে। প্রবীণা এই স্বামীহারা নারী দীর্ঘ সময় ধরে কৃষিকাজ, ঘাস কাটা ও মহিষের পরিচর্যা করে সন্তানদের মানুষ করেছেন। ইতিপূর্বে কখনোই তিনি ক্যামেরার সামনে আসেননি।

বিবিসির কাছে পদ্ম সিং ও হীরা দেবী ব্যক্ত করেন যে তাদের চারপাশের জনপদগুলোতে দীর্ঘদিন যাবৎ মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে চলে যাচ্ছে। জীবিকার অন্বেষণে তরুণ প্রজন্মের অন্যত্র প্রস্থান এবং প্রৌঢ় পিতা-মাতার নিঃসঙ্গ হয়ে পড়ার দৃশ্যগুলোও তাদের চেনা। ‘পায়ার’ চলচ্চিত্রে এই নির্মম সত্যতাই প্রতিফলিত হয়েছে। সিনেমাটি কেন্দ্র করে প্রাপ্ত বিপুল প্রীতি ও সমাদরে তারা উভয়ই গভীরভাবে আপ্লুত।

সূচনায় লেন্সের সামনে দাঁড়ানো এবং মুখস্থ রাখা সংলাপ বলা নিয়ে উভয়ের মাঝেই খানিকটা ভীতি কাজ করছিল। হীরা দেবীর মনে শঙ্কা ছিল তার সন্তান ও সমাজ বিষয়টি কীভাবে গ্রহণ করবে। যদিও সাধারণ মানুষের স্নেহ ও ভূয়সী প্রশংসার বদৌলতে বর্তমানে সেই জড়তা ও কুণ্ঠা অনেকটাই দূর হয়েছে।

সূত্র: আজকের পত্রিকা


নিউজটি পোস্ট করেছেন : জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর

কমেন্ট বক্স
বঙ্গোপসাগরে সুস্পষ্ট লঘুচাপ, ঘূর্ণিঝড়ের পূর্বাভাস

বঙ্গোপসাগরে সুস্পষ্ট লঘুচাপ, ঘূর্ণিঝড়ের পূর্বাভাস