নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
পীরগঞ্জের ভাকুরা ধনীপাড়া গ্রামের আকতারুল ইসলামের বাসভবনে গোপন বৈঠকের মাধ্যমে রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপ এবং নাশকতামূলক ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আনা হয়েছে মামলার এজাহারে। এই তথ্যের ভিত্তিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সেখানে অভিযান পরিচালনা করে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ আলামত জব্দ করার পাশাপাশি ঘটনাস্থল থেকে দুজনকে আটক করে।
উক্ত মামলার এজাহারে মোট ২০ জন আসামির নাম অন্তর্ভুক্ত ছিল যাদের মধ্যে ১৭ জন ইতিপূর্বে উচ্চ আদালত থেকে ছয় সপ্তাহের জন্য অন্তর্তর্বর্তীকালীন জামিনের সুবিধা পেয়েছিলেন। নির্দিষ্ট সেই মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পর মঙ্গলবার তাঁরা সশরীরে আদালতে উপস্থিত হয়ে নিয়মিত জামিন লাভের প্রার্থনা জানান।
আদালতে শুনানিকালের সময় আসামিপক্ষের বিজ্ঞ আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. আনোয়ার হোসেন জোরালো দাবি করেন যে তাঁর মক্কেলরা এই ঘটনার সঙ্গে কোনোভাবেই সম্পৃক্ত নন। রাষ্ট্রপক্ষের পেশ করা প্রমাণের বিষয়ে তিনি বলেন, মামলার সাক্ষ্য হিসেবে যেসব ফেসবুকের স্থিরচিত্র ও স্ক্রিনশট দেখানো হয়েছে সেগুলোতে কোনো সুনির্দিষ্ট তারিখ কিংবা সঠিক তথ্য নেই।
আইনজীবী আরও যুক্তি উপস্থাপন করেন যে ওই ছবিগুলো বেশ পুরোনো হতে পারে কিংবা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা তথা এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে সেগুলোকে তৈরি বা বিকৃত করা হয়ে থাকতে পারে। সমস্ত শুনানি ও যুক্তি উপস্থাপন শেষে বিচারক আসামিদের জামিনের আবেদন সরাসরি খারিজ করে দেন।
আদানপ্রদান ও শুনানি শেষে আসামিপক্ষের আইনজীবী গণমাধ্যমকে জানান যে বিচারিক আদালতে জামিন না পাওয়ায় তাঁরা খুব দ্রুতই উচ্চ আদালতে পরবর্তী আইনি লড়াই অব্যাহত রাখবেন।
সূত্র: আজকের পত্রিকা
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর