নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
রামুর গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আনিসুর রহমান গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে, সম্প্রতি গ্রেপ্তারকৃত তরুণকে বর্তমানে প্রয়োজনীয় জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। প্রাথমিক প্রক্রিয়া শেষে আজ সকালেই তাকে রামু থানার মধ্য দিয়ে আদালতে সোপর্দ করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
এদিকে স্থানীয় সচেতন সমাজের পক্ষ থেকে জোরালো দাবি করা হয়েছে যে, রামু উপজেলার পূর্বাঞ্চল এবং পার্শ্ববর্তী নাইক্ষ্যংছড়ির বিভিন্ন ইউনিয়নে কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য ও অপতৎপরতা আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, গর্জনিয়া, কচ্ছপিয়া, বাইশারী, ঈদগড় ও কাউয়ারখোপসহ নাইক্ষ্যংছড়ির বিস্তীর্ণ এলাকার বিভিন্ন জনপদে অন্তত তিন শতাধিক কিশোর গ্যাং অত্যন্ত সক্রিয় রয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, এসব গ্যাংয়ের প্রতিটি দলে পাঁচ থেকে শুরু করে আট কিংবা দশ জন পর্যন্ত সক্রিয় সদস্য যুক্ত রয়েছে, যারা বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছে।
এসব কিশোর গ্যাংয়ের অনেক সদস্যের কাছেই বর্তমানে দেশি ও বিদেশি নানা ধরনের অস্ত্রশস্ত্র মজুত রয়েছে বলে স্থানীয় সচেতন মহলের পক্ষ থেকে গুরুতর অভিযোগ উত্থাপন করা হয়েছে।
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর