নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
রাষ্ট্র পরিচালনার কাজে যুক্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিজ নিজ আবাসস্থল সবসময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার প্রতি বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি আজ স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন যে, যারা সরকারি নীতি বাস্তবায়নের সঙ্গে সরাসরি জড়িত, তাদের ব্যক্তিগত ও দাপ্তরিক আচরণে পরিচ্ছন্নতা এবং পরিবেশ সচেতনতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে হবে।
পরিবেশগত দূষণ এবং চারপাশের অপরিচ্ছন্নতা জনসাধারণের মধ্যে বিভিন্ন রোগব্যাধি ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি অনেক বাড়িয়ে দেয় বলে তিনি সতর্ক করেন। একটি পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যকর বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যে সরকারি ও বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠান এবং দেশের প্রতিটি নাগরিককে নিজ নিজ জায়গা থেকে কার্যকর দায়িত্ব পালন করতে হবে বলে তিনি আহ্বান জানান।
রাজধানীর ওসমানী উদ্যানের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সেখানে ঘুরতে আসা দর্শনার্থীদের উদ্দেশে তিনি উদ্যান ও এর ভেতরে অবস্থিত স্মৃতিস্তম্ভের পবিত্রতা ও পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার অনুরোধ জানিয়েছেন।
জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ এবং ওসমানী উদ্যান এই দুটি স্থানই সাধারণ মানুষ তথা রাষ্ট্রের অমূল্য সম্পত্তি বলে মন্তব্য করেন সরকারপ্রধান। এগুলোর সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের মূল দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হলেও, তা সফলভাবে সম্পন্ন করতে সাধারণ নাগরিকদের আন্তরিক সহযোগিতা অপরিহার্য বলে তিনি মনে করেন।
পরিশেষে, জুলাই মাসের গণ-অভ্যুত্থান এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের মূল আকাঙ্ক্ষাগুলো বাস্তবায়িত করার জোরালো আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি উল্লেখ করেন যে, জুলাই অভ্যুত্থান এবং মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের স্বপ্নের মধ্যে গভীর মিল রয়েছে, কারণ তারা এমন একটি স্বাধীন বাংলাদেশ চেয়েছিলেন যেখানে দেশের প্রতিটি মানুষ তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার নির্বিঘ্নে ভোগ করতে পারবে, স্বাধীনভাবে নিজেদের মতামত প্রকাশ করতে পারবে এবং কোনো বাধা ছাড়াই নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাবে।
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর