নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
বরগুনার আমতলী উপজেলার আড়পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নে জেলেদের সরকারি চাল আত্মসাতের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় এক বাসিন্দা নাশির মাল দাবি করেছেন যে, ৩ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তত ৩০ জন তালিকাভুক্ত জেলেকে তাঁদের প্রাপ্য চাল দেওয়া হয়নি এবং তালিকায় নাম না থাকার অজুহাত দেখানো হয়েছে। তাঁর প্রশ্ন, সব নিবন্ধিত জেলের অনুকূলে বরাদ্দ থাকলে এই ৩০ জনের চাল কোথায় গেল?
অন্যদিকে, ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. বশির হাওলাদার এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে জানিয়েছেন, তাঁর ওয়ার্ডের ২৭০ জন জেলের সবাইকে সঠিকভাবে চাল বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। কোনো নিবন্ধিত জেলেকে সেদিন খালি হাতে ফিরিয়ে দেওয়া হয়নি বলে তিনি দাবি করেন।
আমতলী খাদ্যগুদামের চাল বিতরণ কাজে যুক্ত নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি জানান, আড়পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা গুদাম থেকে ৩৪ টন চাল ছাড় করে নিয়ে গেছেন। তবে বাকি চালগুলো তিনি নেননি এবং গুদামেই রেখে গেছেন।
সব অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন আড়পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেন। তিনি বলেন, এমন কোনো অনিয়মের ঘটনা ঘটেনি এবং তিনি সকল জেলের মাঝেই চাল বিতরণ সম্পন্ন করেছেন। তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো অসত্য।
আমতলী উপজেলা কৃষি অফিসার ও আড়পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের দায়িত্বে থাকা মো. রাসেলও একই সুরে জানান, সকল জেলের মধ্যে নিয়মতান্ত্রিকভাবে চাল বিতরণ করা হয়েছে। চাল পাওয়া যায়নি মর্মে তাঁর কাছে এখন পর্যন্ত কেউ কোনো অভিযোগ নিয়ে আসেননি।
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর