ঢাকা | বঙ্গাব্দ

১৯৬৩ সালের প্রোফুমো কেলেঙ্কারি ও রাজনৈতিক পতন

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Oct 31, 2026 ইং
১৯৬৩ সালের প্রোফুমো কেলেঙ্কারি ও রাজনৈতিক পতন ছবির ক্যাপশন:
ad728

নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর

১৯৬৩ সালের উত্তাল স্নায়ুযুদ্ধের আবহে ব্রিটিশ সরকারের অন্দরে তীব্র অস্বস্তি তৈরি হয়েছিল। তৎকালীন যুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী জন প্রোফুমো পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে এক তরুণীর সঙ্গে নিজের ব্যক্তিগত সম্পর্কের বিষয়টি সরাসরি অস্বীকার করেছিলেন। তিনি দাবি করেন, ওই নারীর সঙ্গে পরিচয়ের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অনৈতিকতা ঘটেনি। তবে মাত্র কয়েক সপ্তাহের ব্যবধানে সেই অস্বীকারই তাঁর রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের আকস্মিক পতনের মূল কারণ হয়ে দাঁড়ায়। প্রকাশ পায় এক বিস্ফোরক সম্পর্কের কাহিনী, যার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে পড়েছিল এক সোভিয়েত কূটনীতিকের নাম, লন্ডনের অভিজাত সমাজের প্রভাব, সংবাদমাধ্যমের গভীর অনুসন্ধান এবং রাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার গুরুতর প্রশ্ন।

ওই তরুণীর নাম ছিল ক্রিস্টিন কিলার এবং তাঁর বয়স ছিল মাত্র ১৯ বছর। অন্যদিকে প্রভাবশালী কনজারভেটিভ পার্টির রাজনীতিক জন প্রোফুমো ছিলেন ৪৮ বছর বয়সী এক বিবাহিত ব্যক্তি। তাঁদের এই সম্পর্কের পরিধি ছাড়িয়ে শেষ পর্যন্ত সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়ায় যে, দেশের কোনো মন্ত্রী যদি সরাসরি পার্লামেন্টে মিথ্যা তথ্য দেন, তবে তাঁর চূড়ান্ত পরিণতি কী হওয়া উচিত। যুক্তরাজ্যের রাজনৈতিক ইতিহাসে এই পুরো ঘটনাটি অত্যন্ত পরিচিতি লাভ করেছে ‘প্রোফুমো অ্যাফেয়ার’ নামে। সাধারণ কিছু যৌনসম্পর্কের গুঞ্জন দিয়ে এ ঘটনার সূত্রপাত ঘটলেও কালক্রমে এটি আর কোনো ব্যক্তিগত জীবনের কাহিনিতে সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং ক্ষমতা, সত্য গোপন করার প্রবণতা, রাজনৈতিক জবাবদিহি এবং রাষ্ট্রের নিরাপত্তা নিয়ে এটি এক বিশাল জাতীয় বিতর্কে রূপ নেয়।

জন ডেনিস প্রোফুমো ছিলেন যুক্তরাজ্যের কনজারভেটিভ পার্টির একজন গুরুত্বপূর্ণ রাজনীতিক। প্রধানমন্ত্রী হ্যারল্ড ম্যাকমিলানের নেতৃত্বে গঠিত সরকারে তিনি ১৯৬০ সালে যুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রীর গুরুদায়িত্ব পান। তাঁর সহধর্মিণী ভ্যালেরি হবসন ছিলেন সমাজে বেশ পরিচিত এক অভিনেত্রী। ফলে ব্রিটিশ রাজনীতি ও অভিজাত সমাজের নানা মহলে প্রোফুমো দম্পতির যথেষ্ট পরিচিতি ও সুনাম ছিল।

১৯৬১ সালের জুলাই মাসে বাকিংহামশায়ারের ক্লাইভডেন এস্টেটে অনুষ্ঠিত একটি সপ্তাহান্তের আয়োজন তাঁদের পুরো জীবনকে ভিন্ন এক মোড়ে নিয়ে দাঁড় করায়। ওই বিশাল এস্টেটের মালিক ছিলেন অত্যন্ত ধনী ও প্রভাবশালী লর্ড অ্যাস্টর। সেখানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আমন্ত্রিত ছিলেন মন্ত্রী প্রোফুমো। এ ছাড়াও সেই অনুষ্ঠানে আরেক অতিথি হিসেবে হাজির হয়েছিলেন তরুণী ক্রিস্টিন কিলার, যিনি এসেছিলেন চিকিৎসক স্টিফেন ওয়ার্ডের সঙ্গে। অভিজাত সমাজে চিকিৎসক ওয়ার্ড একজন পরিচিত অস্টিওপ্যাথ হিসেবে খ্যতি অর্জনের পাশাপাশি চমৎকার ছবিও আঁকতেন।

ক্লাইভডেন এস্টেটের সুইমিংপুলের ঠিক পাশেই প্রোফুমোর সঙ্গে পরিচয় হয় ক্রিস্টিন কিলারের। অল্প সময়ের মধ্যেই তাঁদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সে সময় কিলার লন্ডনের একটি নামকরা নাইটক্লাবে শো–গার্ল পেশার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

তবে এই অনৈতিক সম্পর্ক প্রকাশ্যে আসার পর তাৎক্ষণিকভাবে বড় কোনো বিস্ফোরণ ঘটে যায়নি। পরবর্তী সময়ে প্রোফুমো নিজেই জানিয়েছিলেন যে তাঁদের সেই সম্পর্কটি খুব স্বল্পস্থায়ী ছিল এবং ১৯৬১ সালের শেষ দিকেই তিনি তা পুরোপুরি চুকিয়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু ক্রিস্টিন কিলারের ব্যক্তিগত জীবনে সে সময় আরও একজন পুরুষ উপস্থিত ছিলেন, যাঁর পরিচয় এই পুরো ঘটনাটিকে নিছক একটি সাধারণ বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের গণ্ডি থেকে বহু দূরে নিয়ে গিয়েছিল।

ক্রিস্টিনের সঙ্গে পূর্বপরিচিতি ছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের নৌবাহিনীর কর্মকর্তা ইয়েভগেনি ইভানভের। তিনি পেশাগতভাবে লন্ডনে অবস্থিত সোভিয়েত দূতাবাসে নৌ-অ্যাটাশে হিসেবে অত্যন্ত দায়িত্বশীল পদে কর্মরত ছিলেন। সে সময় যুক্তরাজ্য ও পরাশক্তি সোভিয়েত ইউনিয়নের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ছিল স্নায়ুযুদ্ধের তীব্র টানাপোড়েনে আবদ্ধ। দুই দেশের সামরিক কৌশলগত বিভিন্ন তথ্য হাতিয়ে নিতে তখন নিয়মিত সন্দেহ, কঠোর নজরদারি এবং তীব্র গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত ছিল।

ফলস্বরূপ, যুক্তরাজ্যের একজন যুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী এবং অপরপক্ষে এক সোভিয়েত নৌ-কর্মকর্তার সঙ্গে যখন একই তরুণীর সম্পৃক্ততার খবর সামনে এল, তখন তা কেবল সাধারণ কৌতূহলের বিষয় হয়ে থাকেনি। চারদিকে জোরালো প্রশ্ন উঠল যে, মন্ত্রী প্রোফুমোর কাছ থেকে কোনো ধরনের গোপনীয় রাষ্ট্রীয় তথ্য প্রতিপক্ষ দেশের কাছে পাচার হওয়ার কোনো সুযোগ তৈরি হয়েছিল কি না।

১৯৬১ সালের সেই দিনগুলোতে যুক্তরাজ্যের নিজস্ব নিরাপত্তা কর্মকর্তারা চিকিৎসক স্টিফেন ওয়ার্ডের সঙ্গে ইভানভের সন্দেহজনক যোগাযোগ নিয়ে যথেষ্ট সতর্ক অবস্থানে ছিলেন। সরকারের বিভিন্ন সংরক্ষিত নথি অনুসারে, ওই বছরের আগস্ট মাসেই মন্ত্রিসভার সচিব স্যার বার্ক ট্রেন্ড স্বয়ং প্রোফুমোকে ডেকে ওয়ার্ড ও ইভানভের এই বিপজ্জনক যোগাযোগ সম্পর্কে আগে থেকেই সতর্ক করে দিয়েছিলেন।

মন্ত্রী প্রোফুমো ক্রিস্টিনের সঙ্গে নিজের সম্পর্ক ইতি টানলেও এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি সেখানে থেমে থাকেনি। ব্যক্তিগত জীবনের সেই গোপন ও অন্ধকার অধ্যায়টি যেন কোনো এক বড় ঘটনার অপেক্ষায় দিন গুনছিল।

অবশেষে পরবর্তী বছর অর্থাৎ ১৯৬২ সালের শেষ ভাগের দিকে লন্ডনের বুকে এক অপ্রত্যাশিত ঘটনা ঘটে যায়। কিলারের সাবেক প্রেমিক জনি অ্যাজকম্ব হঠাৎ করে এক মারাত্মক কাণ্ড ঘটিয়ে বসেন। তিনি সরাসরি চিকিৎসক স্টিফেন ওয়ার্ডের অ্যাপার্টমেন্টের বাইরে গিয়ে এলোপাতাড়ি গুলি চালান, কারণ কিলার তাঁর সঙ্গে আর দেখা করতে রাজি হননি। অ্যাজকম্বুলের আকস্মিক এই কাণ্ড মুহূর্তেই সংবাদমাধ্যমের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। এর ফলে শুরু হয় আইনি মামলা, আদালতে নিয়মিত হাজিরা এবং তার সূত্র ধরে সাংবাদিকদের প্রবল আগ্রহ বাড়তে থাকে কিলারের বর্ণিল ও বিতর্কিত ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে।

ঠিক তখনই সংবাদমাধ্যমের সামনে বড় আকারে চলে আসে মন্ত্রী প্রোফুমোর নাম। ক্রিস্টিনের সঙ্গে তাঁর গোপন সম্পর্কের পুরনো গুঞ্জন নতুন করে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। একই সঙ্গে আরও বেশি আলোচনায় চলে আসে সোভিয়েত কর্মকর্তা ইভানভের সঙ্গে কিলারের সম্পর্কের সমীকরণ। যুক্তরাজ্যের একজন মন্ত্রী, একজন তরুণী এবং সোভিয়েত দূতাবাসের এক কূটনৈতিক কর্মকর্তা—এই তিনটি প্রভাবশালী নাম যখন একসঙ্গে উচ্চারিত হতে শুরু করল, তখন এই ঘটনাটি আর নিছক কোনো সাধারণ কেলেঙ্কারির সংবাদে সীমাবদ্ধ রইল না। এর সঙ্গে সরাসরি জড়িয়ে গেল রাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার মতো অত্যন্ত সংবেদনশীল প্রশ্ন।

পরবর্তী বছর অর্থাৎ ১৯৬৩ সালের মার্চ মাসের দিকে এই স্পর্শকাতর বিষয়টি ব্রিটিশ পার্লামেন্টের ফ্লোরেও জোরালোভাবে উত্থাপিত হয়। বিরোধী দল লেবার পার্টির এমপি জর্জ উইগ সরকারের কাছে জানতে চান যে, প্রোফুমোর সঙ্গে কিলারের সম্পর্কের বিষয়ে যে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে তা কি আদৌ সত্য। ক্ষমতাসীন সরকার এই গুরুতর বিষয়টি কোনোভাবেই এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছিল না। অবশেষে ২২ মার্চ হাউস অব কমন্সে দাঁড়িয়ে একটি ব্যক্তিগত বিবৃতি দেন প্রোফুমো। তিনি অত্যন্ত স্পষ্ট ভাষায় বলেন যে, কিলারের সঙ্গে তাঁর অতীতের পরিচয়ে বিন্দুমাত্র কোনো অনৈতিকতা ছিল না। এমনকি তাঁর বিরুদ্ধে কেউ কোনো ধরনের অপপ্রচার চালালে তিনি কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ারও প্রকাশ্য হুশিয়ারি উচ্চারণ করেন।

মন্ত্রীর দেওয়া এই আকস্মিক বিবৃতিটি সাময়িকভাবে চারপাশের উত্তপ্ত পরিস্থিতি অনেকটাই শান্ত করে দিয়েছিল। কিন্তু রাজনীতির ময়দানে কখনো কখনো একটি মিথ্যা অস্বীকারই সত্য ঘটনা চিরতরে উন্মোচিত হওয়ার চূড়ান্ত পথ প্রশস্ত করে দেয়।

এরপর ১৯৬৩ সালের মে মাসের দিকে চিকিৎসক স্টিফেন ওয়ার্ডের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে মামলা দায়ের করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে মূল অভিযোগ আনা হয়েছিল যে তিনি কিলারসহ অন্যান্য তরুণীদের অনৈতিক যৌনকর্মে বাধ্য করে সেই থেকে অর্জিত অর্থ নিজে উপার্জন করতেন। বিচারকার্য চলাকালীন আদালতের কার্যদিবসে কিলারের ব্যক্তিগত সম্পর্কের ব্যাপারে একে একে নানা অজানা তথ্য বেরিয়ে আসতে থাকে। দেশের মূলধারার সংবাদমাধ্যমগুলোও এই কেলেঙ্কারির খবর অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে এবং ব্যাপকভাবে প্রচার করতে শুরু করে।

তীব্র চাপের মুখে প্রোফুমোর পক্ষে তাঁর আগের সেই অস্বীকারের বক্তব্য ধরে রাখা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। অবশেষে ৪ জুন তিনি দেশের প্রধানমন্ত্রী হ্যারল্ড ম্যাকমিলানকে সবিস্তারে জানান যে, মার্চ মাসে পার্লামেন্টে তিনি যা বলেছিলেন তা সম্পূর্ণ সত্য ছিল না। তিনি স্বীকার করেন যে তিনি কিলারের সঙ্গে এক অনুচিত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন। এর ঠিক পরের দিন অর্থাৎ ৫ জুন, যুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রীর গুরুত্বপূর্ণ পদ থেকে পদত্যাগ করেন প্রোফুমো। শুধু তাই নয়, তিনি নিজের পার্লামেন্ট সদস্যপদ থেকেও চিরতরে ইস্তফা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।

পরবর্তী সময়ে প্রোফুমো স্বীকার করেছিলেন যে তাঁর নিজ স্ত্রী ও পরিবারকে সম্ভাব্য লজ্জা থেকে রক্ষা করার কথা ভেবেই তিনি সত্য গোপন করার পথ বেছে নিয়েছিলেন। কিন্তু তাঁর এই মনগড়া ব্যাখ্যা তাঁকে কোনোভাবেই রাজনৈতিক দায়দায়িত্ব থেকে পুরোপুরি মুক্ত করতে পারেনি। কারণ তিনি কেবল নিজের ব্যক্তিগত সম্পর্ককেই অস্বীকার করেননি, বরং দেশের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারক ফোরাম অর্থাৎ পার্লামেন্টের কাছেও সম্পূর্ণ অসত্য বক্তব্য পেশ করেছিলেন।

এই পুরো কেলেঙ্কারির অন্তরালে সবচেয়ে বড় যে বিষয়টি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল তা হলো জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্ন। প্রোফুমো-কাণ্ডের সবচেয়ে বেশি আলোচিত দিকটি ছিল এই যে, কিলারের সঙ্গে মন্ত্রীর এই সম্পর্কের কারণে ব্রিটিশ রাষ্ট্রের কোনো গোপনীয় তথ্য চরমভাবে বিপন্ন হয়েছিল কি না। যুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী হিসেবে প্রোফুমোর মূল সাংবিধানিক দায়িত্ব ছিল দেশের প্রতিরক্ষা ও সামরিক বিষয়াবলি সার্বিকভাবে তদারকি করা। অপরদিকে ইভানভ ছিলেন সরাসরি সোভিয়েত দূতাবাসের একজন কর্মকর্তা। ফলে তাঁদের এই ব্যক্তিগত পরিচয়ের খবর দেশের শীর্ষ গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর চরম উদ্বেগ বহুলাংশে বাড়িয়ে দিয়েছিল।

পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় প্রধানমন্ত্রী ম্যাকমিলান পুরো ঘটনার সঠিক তদন্ত করার জন্য দেশের বিশিষ্ট বিচারক লর্ড ডেনিংকে বিশেষ দায়িত্ব প্রদান করেন। ১৯৬৩ সালের অক্টোবর মাসে বিচারক ডেনিং তাঁর বহু প্রতীক্ষিত তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেন এবং সেই প্রতিবেদনে তিনি এই সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে, এই নির্দিষ্ট ঘটনায় দেশের জাতীয় নিরাপত্তা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সুনির্দিষ্ট কোনো প্রমাণ নেই। অর্থাৎ এই কেলেঙ্কারির সঙ্গে আন্তর্জাতিক গোয়েন্দা তৎপরতার নানা সম্ভাবনা ও সন্দেহ জড়িয়ে থাকলেও রাষ্ট্রীয় গোপন তথ্য ফাঁসের গুরুতর অভিযোগ শেষ পর্যন্ত আইনগতভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়নি।

সূত্র: জাতীয় দৈনিক আমার সকাল টিম।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
বিমানবন্দরে মারামারির মামলায় জামিন পেলند সাবেক এমপি আখতারুজ্

বিমানবন্দরে মারামারির মামলায় জামিন পেলند সাবেক এমপি আখতারুজ্