ঢাকা | বঙ্গাব্দ

আধুনিক সুযোগ-সুবিধা ও গবেষণায় গুরুত্ব দিচ্ছে ইউএসটিসি

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Nov 1, 2026 ইং
আধুনিক সুযোগ-সুবিধা ও গবেষণায় গুরুত্ব দিচ্ছে ইউএসটিসি ছবির ক্যাপশন:
ad728

নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর

আধুনিক সুযোগ-সুবিধা এবং উন্নত অবকাঠামোর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ ও মানসম্মত শিক্ষার পরিবেশ তৈরি করেছে ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি চট্টগ্রাম (ইউএসটিসি)। প্রতিষ্ঠানটির স্থায়ী ক্যাম্পাসে স্মার্ট ক্লাসরুম, ইন্টারঅ্যাকটিভ ফ্ল্যাট প্যানেল, সর্বাধুনিক মাল্টিমিডিয়া প্রযুক্তি এবং উচ্চগতির ইন্টারনেট সংযোগ রয়েছে।

শিক্ষার্থীদের অ্যাকাডেমিক কার্যক্রমের পাশাপাশি গবেষণাগার, একটি সমৃদ্ধ কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি এবং বিভিন্ন বিভাগের সেমিনার লাইব্রেরি সচল রাখা হয়েছে। এছাড়া আধুনিক অডিটরিয়ামের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের আবাসন ব্যবস্থাও নিশ্চিত করা হয়েছে, যা সম্মিলিতভাবে একটি কার্যকর শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি করেছে।

পড়াশোনার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের ভেতরের সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ ঘটাতে বিতর্ক প্রতিযোগিতা, নানা সাংস্কৃতিক আয়োজন এবং বিভিন্ন উদ্ভাবনীমূলক প্রতিযোগিতার ব্যবস্থা থাকে। একই সঙ্গে খেলাধুলা, নিয়মিত গবেষণা এবং বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক সেবামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিত্বের বহুমুখী বিকাশ সাধিত হয়।

বর্তমান যুগের উচ্চশিক্ষার চাহিদার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে ইউএসটিসি কর্তৃপক্ষ আউটকাম বেসড এডুকেশন বা ওবিই পদ্ধতি বাস্তবায়নের ওপর বিশেষ জোর দিচ্ছে। এই লক্ষ্য অর্জনে ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল বা আইকিউএসি নিয়মিতভাবে পাঠ্যক্রম পর্যালোচনা ও যুগোপযোগী করে তোলার কাজ করে যাচ্ছে।

প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষণ পদ্ধতির আধুনিকায়ন এবং সামগ্রিক একাডেমিক উৎকর্ষ সাধনে শিক্ষকদের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও করা হয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলের তথা বিএসি-র অধীনে বিভিন্ন অ্যাক্রেডিটেশন কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে প্রাতিষ্ঠানিক গুণগত মান বৃদ্ধির প্রক্রিয়াকে আরও শক্তিশালী করা হচ্ছে।

গবেষণার ক্ষেত্রটিকে প্রাতিষ্ঠানিক অগ্রগতির প্রধান স্তম্ভ হিসেবে বিবেচনা করে থাকে ইউএসটিসি। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সামগ্রিক গবেষণা কার্যক্রমকে আরও বেগবান, ফলপ্রসূ এবং বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে দৃশ্যমান করার জন্য ইউএসটিসি রিসার্চ সেল বা ইউআরসি নিরলসভাবে কাজ করছে।

গবেষণার জন্য আর্থিক অনুদান প্রদান, বিভিন্ন বিভাগের মধ্যে যৌথ গবেষণা পরিচালনা এবং আন্তর্জাতিক জার্নালে গবেষণাপত্র প্রকাশের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বৈশ্বিক সম্মেলনে অংশ নেওয়ার সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে ক্যাম্পাসে একটি প্রকৃত গবেষণাবান্ধব সংস্কৃতি গড়ে তোলা হয়েছে।

বিশ্বখ্যাত নেচার ইনডেস্কে ইউএসটিসির অন্তর্ভুক্তি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এই প্রতিষ্ঠানের গবেষণা কার্যক্রমের শক্ত অবস্থানের একটি বড় প্রমাণ। আগামী দিনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, স্বাস্থ্যবিজ্ঞান এবং ফার্মাসিউটিক্যাল গবেষণার পরিধি আরও বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে।

শুধু তা-ই নয়, বায়োটেকনোলজি এবং প্রকৌশলবিদ্যার মতো সম্ভাবনাময় ও আধুনিক ক্ষেত্রগুলোতেও গবেষণার পরিসর ব্যাপকভাবে প্রসারিত করার সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

সূত্র: আজকের পত্রিকা


নিউজটি পোস্ট করেছেন : জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
কাতারে বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের নতুন সভাপতি শামীম সম্পাদক সালা

কাতারে বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের নতুন সভাপতি শামীম সম্পাদক সালা