ঢাকা | বঙ্গাব্দ

জ্ঞানেশ কুমারের কাছেই কমিশনারদের চিঠি ফেরত পাঠালেন কেবিনেট সচিব

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Oct 23, 2026 ইং
জ্ঞানেশ কুমারের কাছেই কমিশনারদের চিঠি ফেরত পাঠালেন কেবিনেট সচিব ছবির ক্যাপশন:
ad728

নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর

প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছেই দুই নির্বাচন কমিশনারের পাঠানো চিঠি ফেরত পাঠিয়েছেন কেবিনেট সচিব রাজীব সোমনাথন। প্রশাসনের শীর্ষস্তরের এই চিঠিপত্র আদানপ্রদানের ঘটনাটি প্রকাশ্যে এসেছে তথ্য জানার অধিকার আইনের মাধ্যমে পাওয়া জবাবে।

তথ্য অধিকার আইনের উত্তর থেকে জানা গেছে যে গত ২৯ জুলাই সুখবীর সিং সান্ধু ও বিবেক যোশী নামে দুই কমিশনার দুটি আলাদা চিঠি লিখেছিলেন। ওই দুই চিঠির প্রতিটিতেই নির্বাচন কমিশনের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তা মনীশ গর্গের প্রশাসনিক কাজের দায়িত্ব বণ্টন নিয়ে কঠোর আপত্তি জানানো হয়েছিল।

ছুটিতে যাওয়ার কারণে প্রশাসনের দায়িত্বে থাকা ভানু প্রকাশ ইয়েতুরু ২৭ জুলাই থেকে ৯ অগস্ট পর্যন্ত অনুপস্থিত ছিলেন। সেই ফাঁকা সময়ে ভানু প্রকাশের বদলে মনীশ গর্গকে ওই নির্দিষ্ট বিভাগের বাড়তি দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল যাতে কাজ সচল থাকে।

অভিযোগ উঠেছে যে মনীশ গর্গ ২৮ জুলাই দায়িত্ব বুঝে নেওয়ার মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে একটি নির্দেশ জারি করেন। ওই নির্দেশেই সিনিয়র ডেপুটি নির্বাচন কমিশনার, ডেপুটি নির্বাচন কমিশনার এবং ডিরেক্টর জেনারেলসহ সমমর্যাদার বিভিন্ন কর্মকর্তার মাঝে দাপ্তরিক কাজ পুনর্বণ্টন করা হয়েছিল।

কেবিনেট সচিব রাজীব সোমনাথন নিজের চিঠিতে ২০২৩ সালের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার ও অন্য কমিশনারদের নিয়োগ, চাকরির শর্ত এবং কার্যকালের মেয়াদ আইনের ১৮ নম্বর ধারার প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। ওই বিশেষ ধারায় স্পষ্ট ভাষায় বলা রয়েছে যে কমিশনের যাবতীয় কাজকর্মের সিদ্ধান্ত যতদূর সম্ভব সর্বসম্মতভাবে গ্রহণ করতে হবে।

আইনের বিধান অনুযায়ী যদি কোনো বিষয়ে সদস্যদের মধ্যে মতপার্থক্য তৈরি হয়, তবে সেখানে সংখ্যাগরিষ্ঠের মতামতের ভিত্তিতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার নিয়ম রয়েছে। এছাড়া কমিশন নিজেরাও সর্বসম্মত সিদ্ধান্তের মাধ্যমে তাদের নিজেদের কাজ পরিচালনার বিশেষ পদ্ধতি নির্ধারণ করতে পারে বলে আইনে বলা হয়েছে।

কেবিনেট সচিব নিজে এই বিষয়টি পরিষ্কার করে উল্লেখ করেন যে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এবং বাকি দুই নির্বাচন কমিশনারের পদমর্যাদা পুরোপুরি সমান। তাই যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে হলে অবশ্যই সবার সম্মতি অথবা সংখ্যাগরিষ্ঠের মতামতের ওপর নির্ভর করতে হবে।

মোট তিন সদস্যের এই পূর্ণাঙ্গ কমিশনে দুই নির্বাচন কমিশনার একটি নির্দিষ্ট বিষয়ে একই ধরনের আপত্তি জানিয়েছিলেন। সচিবের মতে, দুই কমিশনারের এই অভিন্ন আপত্তি মূলত কমিশনের ভেতরে সংখ্যাগরিষ্ঠের মতামতেরই যথাযথ প্রতিনিধিত্ব করছিল।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
মতলবে বালুবাহী ট্রলির ধাক্কায় নিহত ব্যবসায়ী, ঘাতক যান শনাক্ত

মতলবে বালুবাহী ট্রলির ধাক্কায় নিহত ব্যবসায়ী, ঘাতক যান শনাক্ত