নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
পবিত্র কোরআনে ইস্তিগফারের অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ মর্যাদা ও গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। কোনো মানুষ যদি পাপের কাজ করার পর কিংবা নিজের প্রতি অবিচার করার পর অনুতপ্ত হয়ে মহান আল্লাহর দরবারে ক্ষমা প্রার্থনা করে, তবে সে আল্লাহ তাআলাকে অত্যন্ত ক্ষমাশীল ও দয়ালু হিসেবে অবলোকন করতে পারে। বান্দা যখন তওবা ও ইস্তিগফারের মাধ্যমে রবের শরণাপন্ন হয়, তখন তিনি তাকে কখনোই নিরাশ করেন না। সুরা নিসার ১১০ নম্বর আয়াতে এই আশার বাণী ও ক্ষমার ঘোষণা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
নিয়মিত ইস্তিগফার করার মাধ্যমেই কেবল দুনিয়া এবং আখেরাত উভয় জাহানেই প্রভূত কল্যাণ অর্জন করা সম্ভব। সুরা নুহের ১০ থেকে ১২ নম্বর আয়াতে ক্ষমা প্রার্থনার বহুমুখী বরকত ও নেয়ামতের কথা অত্যন্ত চমৎকারভাবে ঘোষণা করা হয়েছে। এই পবিত্র আয়াতগুলোতে বান্দার জন্য ইহকাল ও পরকালের সুনির্দিষ্ট কিছু পুরস্কার এবং কল্যাণকর প্রতিদানের কথা বলা হয়েছে।
প্রথমত, বান্দা যখন খাঁটি মনে ইস্তিগফার করে, তখন মহান আল্লাহ অত্যন্ত সহজেই তার সমস্ত অতীত গুনাহ বা পাপরাশি ক্ষমা করে দেন।
দ্বিতীয়ত, ক্ষমা প্রার্থনার আমল অব্যাহত রাখলে আল্লাহ তাআলা আসমান থেকে বান্দার ওপর তাঁর অশেষ রহমতের বারিধারা বা বৃষ্টি বর্ষণ করেন।
তৃতীয়ত, এর বরকতে তিনি মানুষের ধনসম্পদ এবং সন্তানসন্ততির মাঝে ব্যাপক প্রাচুর্য ও বরকত দান করে থাকেন।
চতুর্থত, মানুষের রিজিককে আরও প্রশস্ত করার উদ্দেশ্যে আল্লাহ তাআলা জমিনে প্রবহমান নদী-নালা এবং নানা রকমের সবুজ উদ্যান বা বাগান দান করে থাকেন।
সূত্র: আজকের পত্রিকা
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর