নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
গাজীপুরের কালিয়াকৈরে মহাসড়ক অবরোধ করে চলা শ্রমিকদের আন্দোলন এবং বিক্ষোভের ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়েছে। এই সহিংসতায় কারখানার কর্মী ও রাজনৈতিক দলের সদস্যসহ প্রায় ত্রিশজন ব্যক্তি আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে স্থানীয় রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা মাঠে নেমেছিলেন।
পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে তৎপরতা শুরু করেন উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং এর বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। ‘শিল্প বাঁচলে বাঁচবে দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ এই স্লোগান উচ্চারণ করে তাদের হাতে লাঠিসোঁটা দেখা যায়। এ সময় তারা মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে অবস্থান নেন এবং জড়ো হতে থাকেন।
সফিপুর এবং পল্লীবিদ্যুৎ এলাকায় অবস্থানরত আন্দোলনরত শ্রমিকদের রাস্তা থেকে সরিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। এই পদক্ষেপকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া শুরু হয় যা পরবর্তীতে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে রূপ নেয়।
উক্ত সংঘর্ষের ফলে রাজনৈতিক দলের কয়েকজন কর্মী এবং বেশ কয়েজন পোশাক শ্রমিক শারীরিকভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হন। সহিংসতার পর পরই আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় বিভিন্ন চিকিৎসালয় ও ক্লিনিকে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করা হয়।
ঘটনা সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক পারভেজ আহম্মেদ জানান যে সরকার ইতিমধ্যে একটি মজুরি কমিশন বোর্ড গঠন করেছে। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই শ্রমিকদের জন্য সর্বনিম্ন বেতন কাঠামোর চূড়ান্ত নির্ধারণ করা হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। এমন বাস্তবতায় শ্রমিকদের রাজপথে নেমে বিক্ষোভ করার কোনো যৌক্তিকতা নেই বলে তিনি অভিমত প্রকাশ করেন।
সূত্র: আজকের পত্রিকা
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর