নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
ঝালকাঠিতে সংঘটিত একটি নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহতের সন্তান বাদী হয়ে ঘটনার পরদিনই স্থানীয় থানায় মামলা দায়ের করেছিলেন। পরবর্তীতে দীর্ঘ তদন্ত প্রক্রিয়া শেষে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ বা সিআইডি তৎকালীন নিষিদ্ধঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জামাআতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশ বা জেএমবির পাঁচজন সদস্যকে অভিযুক্ত করে বিচারিক আদালতে চূড়ান্ত অভিযোগপত্র দাখিল করে। ২০১০ সালের ১৭ জানুয়ারি সিআইডি এই অভিযোগপত্র জমা দিয়েছিল।
বিচারিক কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার পর ২০১৫ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি ঝালকাঠির অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত চাঞ্চল্যকর এই মামলার রায় ঘোষণা করেন। বিচারক সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা করে অভিযুক্ত পাঁচজন আসামির প্রত্যেককেই সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে ফাঁসির দণ্ড প্রদান করেন।
আইন অনুযায়ী বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আসামিদের করা আপিল আবেদন এবং ফাঁসি কার্যকরের অনুমোদনের জন্য ডেথ রেফারেন্সের ওপর উচ্চ আদালতে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে ২০২০ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট বিভাগ বিচারিক আদালতের দেওয়া পাঁচ আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায়ই বহাল রাখেন।
উচ্চ আদালত কর্তৃক মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখার আদেশের পর সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের মধ্যে বেল্লাল হোসেন এতদিন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ধরাছোঁয়ার বাইরে পলাতক জীবন কাটাচ্ছিলেন। অবশেষে দীর্ঘ সময় আত্মগোপনে থাকার পর তিনি সংশ্লিষ্ট আদালতে সশরীরে হাজির হয়ে আত্মসমর্পণ করেন। আদালত তাঁর আবেদন আমলে নিয়ে তাঁকে কঠোর নিরাপত্তায় কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।
সূত্র: আজকের পত্রিকা
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর