নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিশ্চিত করেছে যে মিরপুর অঞ্চলে নিরাপত্তা বাহিনীর পর্যাপ্ত উপস্থিতি বিদ্যমান থাকলেও সেখানে কোনো শ্রমিকের উপস্থিতি চোখে পড়েনি। একটি নির্দিষ্ট সরু গলির ভেতরে অল্প কিছু শ্রমিক রাস্তায় নামার পাঁয়তারা চালালেও আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে তাঁরা সেখান থেকে আর সামনে আগানোর সাহস করেননি। প্রধান সড়কগুলোতে যানবাহন চলাচল নির্বিঘ্ন রাখা এবং সাধারণ পথচারীদের সার্বিক নিরাপত্তা বিধানের লক্ষ্যেই পুলিশ সদস্যরা অত্যন্ত সতর্ক ও প্রস্তুত অবস্থানে ছিলেন।
এর ঠিক আগে বিগত কয়েক দিন ধরে চলা তীব্র বিক্ষোভের জেরে রাজধানীর একাধিক পয়েন্টে যানবাহন ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছিল। সেই সঙ্গে চড়াও হওয়া আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে পুলিশের ওপর চড়াও হয়ে আক্রমণ চালানো এবং ইটপাটকেল ছোড়ার মতো অপ্রীতিকর ঘটনাও ঘটেছিল।
শ্রমিকেরা যখন ব্যস্ত রাজপথগুলো জোরপূর্বক আটকে ফেলার চেষ্টা করছিলেন, তখন তাঁদের ছত্রভঙ্গ করতে ও হটিয়ে দিতে পুলিশ বাধ্য হয়ে টিয়ার শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করে। ওই সময় উভয় পক্ষের মধ্যে বেশ কয়েক দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের তীব্র পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল।
মূলত সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে আনা এবং প্রধান সড়কগুলোতে পুনরায় যান চলাচল স্বাভাবিক ও সচল রাখার স্বার্থেই রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা বাহিনীগুলো তখন অত্যন্ত কঠোর ও আপসহীন কৌশল গ্রহণ করেছিল।
সূত্র: আজকের পত্রিকা
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর