নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
পোশাকশ্রমিকদের নানা ধরনের নায্য দাবি-দাওয়া থাকতেই পারে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি জানান, এসব বিষয় নিয়ে ইতোপূর্বে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে এবং শ্রমিকদের সেই দাবিগুলো মেনেও নেওয়া হয়েছে।
ওই বৈঠকে শ্রমিকনেতারাও উপস্থিত ছিলেন বলে উল্লেখ করেন তিনি। রিজভী আরও বলেন, শ্রমিকনেতারা নিজেরাও আলোচনা ও দাবি মেনে নেওয়ার এই সত্যতা স্বীকার করেছেন।
কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনক বিষয় হলো, আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হওয়ার পরও হঠাৎ করেই বিভিন্ন স্থানে পুলিশ বক্সে আগুন দেওয়ার মতো ধ্বংসাত্মক ঘটনা ঘটানো হয়। একই সঙ্গে বিভিন্ন গাড়িতে অগ্নিসংযোগ এবং একজন শ্রমিককে পিটিয়ে হত্যার মতো পৈশাচিক ঘটনাও ঘটানো হয়েছে বলে তিনি জানান।
এই ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডগুলো সাধারণ পোশাকশ্রমিকরা করেননি বলে দৃঢ় দাবি করেন বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা। তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন যে, এসব ঘৃণ্য কাজের সঙ্গে প্রকৃত শ্রমিকদের দূরতম কোনো সম্পর্কও নেই, বরং বাইরে থেকে আসা আক্রমণকারীরা এই নাশকতা চালিয়েছে।
এসব সহিংসতার নেপথ্যে পার্শ্ববর্তী দেশের উসকানি রয়েছে বলে পরিষ্কার ইঙ্গিত পাওয়া যায়। দেশের ভেতরে অস্থিতিশীল পরিবেশ বা বিশৃঙ্খলা তৈরির পেছনে সেই দেশের উসকানি কাজ করছে বলে তিনি টের পাচ্ছেন।
এই নাশকতামূলক ঘটনার সঙ্গে জড়িত উসকানিদাতাদের ইতিমধ্যেই চিহ্নিত করা সম্ভব হয়েছে বলে দাবি করেন রিজভী। তিনি জানান, ইতোমধ্যে এই ঘটনাগুলোতে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিদের পরিচয় তুলে ধরে তিনি বলেন, আটককৃতদের অধিকাংশই ক্ষমতাসীন দলের সহযোগী সংগঠন যুবলীগ এবং ছাত্রলীগের নেতাকর্মী।
কে বা কারা পর্দার আড়ালে থেকে এই নাশকতার পেছনে উসকানি জুগিয়ে চলেছে, সে বিষয়েও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও তাদের কাছে সুনির্দিষ্ট তথ্য চলে এসেছে বলে দাবি করেন রুহুল কবির রিজভী।
সূত্র: আজকের পত্রিকা
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর