ঢাকা | বঙ্গাব্দ

সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ৭ নভেম্বরের চেতনা কাজ করেছে: রিজভী

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Nov 7, 2026 ইং
সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ৭ নভেম্বরের চেতনা কাজ করেছে: রিজভী ছবির ক্যাপশন:
ad728

নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর

জুলাইয়ের গণ-অভুত্থানের মূল ভিত্তি হিসেবে ৭ নভেম্বরের চেতনার কথা উল্লেখ করেছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতা রুহুল কবির রিজভী। তিনি স্পষ্ট করে জানান যে, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব সুরক্ষিত রাখতে এবং বহুদলীয় গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া চলমান রাখতে এ দেশের সাধারণ মানুষ গত জুলাই মাসের সেই ঐতিহাসিক আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল।

একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনী প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি নির্বাচিত জনবান্ধব সরকার দেশ পরিচালনার দায়িত্ব নিয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। তাঁর মতে, সরকারপ্রধান হিসেবে তারেক রহমান নির্বাচনী জনসমর্থনের সময় দেওয়া প্রতিটি প্রতিশ্রুতি একে একে রক্ষা করার জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

কোনো বিদেশি পরাশক্তির আধিপত্যের কাছে বাংলাদেশ কখনো মাথা নত করবে না বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন রিজভী। তাঁর ব্যাখ্যা অনুযায়ী, দেশের সার্বভৌমত্বকে আরও সুদৃঢ় করার সুনির্দিষ্ট অঙ্গীকার থেকেই ৭ নভেম্বরের বিপ্লব ঘটেছিল এবং এর ধারাবাহিকতায় এ দেশের দেশপ্রেমিক জনগণ পরবর্তী সময়েও নিজেদের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র সুরক্ষায় শক্তি সঞ্চয় করেছে।

ক্ষমতায় আসীন হওয়ার পূর্বে জনগণের সামনে যেসব ঘোষণা বা ওয়াদা করা হয়েছিল, সেগুলোর বাস্তব রূপায়ণ চলছে বলে জানান এই বিএনপি নেতা। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, প্রধানমন্ত্রী কোনো ধরনের ফাঁকা বা মিথ্যা আশ্বাস প্রদান করেননি। বিশেষ করে সমাজের চরম দরিদ্র ও অসহায় মানুষদের স্বাবলম্বী করে তুলতে ফ্যামিলি কার্ড প্রবর্তনের মতো যুগান্তকারী পদক্ষেপ তিনি গ্রহণ করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার মাত্র দুই থেকে তিন দিনের মধ্যেই এসব জনকল্যাণমুখী কাজের আনুষ্ঠানিক বাস্তবায়ন শুরু হয়ে গেছে বলে তিনি জানান। এর অংশ হিসেবে কুড়ি হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ খাল পুনঃখনন করার যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, তার মধ্যে ইতিমধ্যে এক হাজার কিলোমিটার খাল খননের কাজ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

খাল খনন কর্মসূচির পাশাপাশি বর্তমানে সমগ্র দেশজুড়ে একটি বিশাল পরিসরে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। সরকারের একক প্রচেষ্টার পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন সচেতন সামাজিক সংগঠনও এগিয়ে এসেছে এবং দেশব্যাপী সামাজিক বনায়ন কর্মসূচি সফল করতে সক্রিয়ভাবে কাজ করে চলেছে।

গুরুত্বপূর্ণ এই অনুষ্ঠানে সরকারের নীতিনির্ধারক ও দলের শীর্ষস্থানীয় বেশ কয়েকজন নেতা উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ অনুষ্ঠানে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন।

এছাড়াও উপস্থিত বিশিষ্ট ব্যক্তিদের তালিকায় ছিলেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য তথা অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। সমাজকল্যাণমন্ত্রী এবং দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে আরও অংশ নেন জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীের সম্মানিত উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান। বিএনপির পক্ষ থেকে আরও উপস্থিত ছিলেন দলের ভাইস চেয়ারম্যান এবং জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী মো. নূরুল ইসলাম মনি।

উপস্থিত বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের মাঝে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক এবং প্রচার সম্পাদক তথা মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাহউদ্দিন টুকুও সেখানে সমবেত হন।

রাজধানী ঢাকার দুই স্বায়ত্তশাসিত অভিভাবক সংস্থাকেও এই আয়োজনে প্রতিনিধিত্ব করতে দেখা যায়। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক হিসেবে শফিকুল ইসলাম মিল্টন এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক হিসেবে আব্দুস সালাম অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

সূত্র: আজকের পত্রিকা


নিউজটি পোস্ট করেছেন : জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
বিয়ে ছাড়াই হলুদ ও ফটোশুট, কাজি ডেকে বললেন ব্যতিক্রমী যুগল

বিয়ে ছাড়াই হলুদ ও ফটোশুট, কাজি ডেকে বললেন ব্যতিক্রমী যুগল