নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর অবৈধ দখলদারদের চিহ্নিত করে তালিকা তৈরির কাজে আরও দুই সপ্তাহের সময় মঞ্জুর করেছে উচ্চ আদালত। ইতিপূর্বে নির্ধারিত তিন মাসের সময়সীমা শেষ হলেও এবং আদালতের পক্ষ থেকে জরিপ চালিয়ে নদী সুরক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও, সেই নির্দেশ এখনও বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি।
আদালতের দেওয়া নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা দেওয়া না যাওয়ায়, হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ বা এইচআরপিবির তরফ থেকে নতুন করে সময়ের আবেদন করা হয়। এই আবেদনটি গত রবিবার আদালতে উপস্থাপিত হলে, বিচারক শুনানি গ্রহণ করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আরও দুই সপ্তাহ সময় বাড়িয়ে দেন।
শুনান্দি চলাকালে এইচআরপিবির আইনি লড়াইয়ের প্রতিনিধিত্ব করেন প্রবীণ আইনজীবী মনজিল মোরসেদ। তিনি আদালতকে অবহিত করেন যে, ২০২৩ সালেই কর্ণফুলী নদীর সঠিক সীমানা নির্ধারণের জন্য জরিপ সম্পন্ন করে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু আজ পর্যন্ত তা আদালতে দাখিল করা হয়নি।
আইনজীবী মনজিল মোরসেদ আরও উল্লেখ করেন যে, প্রতিবেদন দাখিলের এই দীর্ঘসূত্রিতা ও নিষ্ক্রিয়তার কারণেই নদীর দুই পাড়ের অবৈধ দখল এবং পানি দূষণ কোনোভাবেই থামছে না, যা বর্তমানে অব্যাহত রয়েছে। নদী রক্ষায় এই গড়িমসি ও দূষণের ফলে বন্দরনগরী চট্টগ্রামের সাধারণ বাসিন্দাদের দৈনন্দিন জীবন ও পরিবেশের ওপর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
সূত্র: আজকের পত্রিকা
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর