ইসরাইল ও লেবাননের মধ্যে নতুন দফার শান্তি আলোচনা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে Washington, D.C.-তে। আগামী ১৪ ও ১৫ মে অনুষ্ঠেয় এ বৈঠকে দুই দেশের প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন বলে জানিয়েছে একাধিক কূটনৈতিক সূত্র। আলোচনার মূল ইস্যু হিসেবে থাকছে সীমান্ত নিরাপত্তা, বাস্তুচ্যুত মানুষের প্রত্যাবর্তন এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত এলাকার পুনর্গঠন।
মার্কিন মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও Lebanon-এর দক্ষিণাঞ্চলে ফের তীব্র হয়েছে ইসরাইলি হামলা। বৃহস্পতিবার (৭ মে) একাধিক শহরে বিমান ও ড্রোন হামলা চালায় ইসরাইলি বাহিনী। এতে কয়েকজন হতাহত হওয়ার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বাড়িঘর ও মসজিদ। কয়েকটি এলাকার বাসিন্দাদের সরে যাওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
লেবানন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গত ২ মার্চ থেকে শুরু হওয়া হামলায় এখন পর্যন্ত অন্তত ২ হাজার ৭২৭ জন নিহত এবং প্রায় সাড়ে ৮ হাজার মানুষ আহত হয়েছেন। অন্যদিকে Hezbollah দাবি করেছে, তারা ইসরাইলি বাহিনীর ওপর একাধিক গোলাবর্ষণ চালিয়েছে।
এদিকে ইসরাইল জানিয়েছে, গত এক সপ্তাহে হিজবুল্লাহর ২০ যোদ্ধাকে হত্যা এবং ২০০-র বেশি স্থাপনা ধ্বংস করা হয়েছে। একই সঙ্গে উত্তর লেবানন সীমান্তের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ অব্যাহত রয়েছে বলেও জানিয়েছে তারা।
হিজবুল্লাহর রাদওয়ান ফোর্সের এক শীর্ষ কমান্ডার নিহত হওয়ার পর ফের কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন Benjamin Netanyahu। তিনি বলেন, “শত্রুরা যত সুরক্ষিত জায়গায় লুকিয়ে থাকুক না কেন, তারা নিরাপদ নয়। যে ইসরাইলকে হুমকি দেবে, তাকে এর মূল্য দিতে হবে।”
রয়টার্স ও এএফপির তথ্য অনুযায়ী, কয়েক দশকের বৈরিতার পর এটি হবে দুই দেশের তৃতীয় সরাসরি বৈঠক। আলোচনায় লেবানন থেকে ইসরাইলি বাহিনীর সম্পূর্ণ প্রত্যাহার, সীমান্তবর্তী বাস্তুচ্যুতদের প্রত্যাবর্তন এবং পুনর্গঠন প্রক্রিয়া গুরুত্ব পাবে বলে জানা গেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘদিনের সংঘাতের প্রেক্ষাপটে এই বৈঠক মধ্যপ্রাচ্যে নতুন কূটনৈতিক অগ্রগতির ইঙ্গিত দিতে পারে।
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর