নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
কানাডার সাস্কাটুনে বসবাসরত প্রোগ্রাম এক্সেস কো–অর্ডিনেটর তামান্না মহুয়ার লেখা একটি আধুনিক পংক্তিমালা সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে। সেখানে কল্পনার বাজি ধরে সবটা জিতে নেওয়ার আকুতির সাথে জনসমুদ্রের উৎসব কিংবা বিষাদের রূপ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
কবিতাটিতে সমাজের সামনে নিজের ভালোবাসাকে প্রকাশ করার তীব্র ইচ্ছার কথা বলা হয়েছে। তবে সেই অনুভূতির পরেই নেমে আসে বিষাদের দুপুর এবং নিজের ভেতরের সত্তার সাথে নিরন্তর এক অদৃশ্য সংগ্রাম।
দুপুরের সেই ভাবনার মোড়কে ত্রিকোণমিতির সাইন, কস ও থিটার মতো গাণিতিক সূত্রগুলোও যেন হঠাৎ এলোমেলো হয়ে যায়। চাঁদের আলোর হাতছানি এবং সূর্যের তীব্র উষ্ণতাকে সঙ্গী করে অজানা কোনো ছায়াপথের দিকে পা বাড়ানোর এক অদ্ভুত অনুভূতি কাজ করে।
জীবনের জোড়াতালি হিসাবের সামনে কাঙ্ক্ষিত মানুষটির উপস্থিতি এবং জয়-পরাজয়ের মধ্যস্থতায় লেখকের এই আকস্মিক উপস্থিতি দেখা যায়। একই সাথে একপাশে অবহেলিত ও অসহায় পড়ে থাকে এক ব্যাকুল মন, যা সাড়া দেয় সমস্ত আকুল অনুরোধে।
অবশেষে গোধূলি লগ্নে হাজির হয় এক সোনালি বিকেল এবং ঝরে পড়া হলুদ পাতাগুলো বসন্তের উষ্ণ সম্ভাষণ জানায়। লেখক মনে করেন বসন্ত যেন শতাব্দীজুড়ে থেকে যায়, কিংবা ফেলে আসা বরফজমা হ্রদের ওপর দিয়ে ভবিষ্যতে আর না হাঁটার সিদ্ধান্তই বহাল থাকে।
সূত্র: জাতীয় দৈনিক আমার সকাল টিম।
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর