ঢাকা | বঙ্গাব্দ

তেহরান সফর শেষে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় না বসার হুঁশিয়ারি ইরানের

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Oct 26, 2026 ইং
তেহরান সফর শেষে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় না বসার হুঁশিয়ারি ইরানের ছবির ক্যাপশন:
ad728

নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর

গত সপ্তাহে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনির তেহরান সফর সম্পন্ন করেছেন। এই সফরে তিনি ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের পাশাপাশি দেশটির অন্যান্য জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার সঙ্গে বৈঠকে মিলিত হন। ইরানি সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ওই সাক্ষাতে তেহরানের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয় যে, তাদের দাবিগুলো পুরোপুরি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত ওয়াশিংটনের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনায় তারা জড়াবে না।

উল্লেখ্য যে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার যোগাযোগ রক্ষার ক্ষেত্রে পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরেই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এক মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করে আসছে। অতীতে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় একটি অন্তর্বর্তী শান্তিচুক্তি সম্পাদিত হয়েছিল, যা চলতি বছরের জুন মাসে কার্যকর করা হয়। তবে অত্যন্ত দুঃখজনকভাবে মাত্র কয়েক সপ্তাহের ব্যবধানেই সেই চুক্তিটি ভেঙে যায় এবং এরপর ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে লড়াই শুরু হয়।

এমন একটি উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেই রোববার ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের সঙ্গে চলমান লড়াইয়ের প্রেক্ষাপটে সৌদি আরব আরও একবার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা সফলভাবে প্রতিহত করেছে। অন্যদিকে, চলতি মাসের শুরুর দিকে সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে মক্কা চুক্তির অন্তর্ভুক্ত দেশগুলোর মন্ত্রীরা এক জরুরি বৈঠকে অংশ নেন। ওই সভায় তারা সৌদি ভূখণ্ডে দ্রুত সামরিক বাহিনী এবং প্রয়োজনীয় সামরিক সক্ষমতা মোতায়েন নিশ্চিত করার ব্যাপারে ঐকমত্যে পৌঁছান।

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযান অব্যাহত থাকার পাশাপাশি হুতিদের ক্রমবর্ধমান হামলা পুরো অঞ্চলের অস্থিতিশীলতাকে আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। এর ফলে বৃহত্তর পরিসরে যুদ্ধের একটি বিপজ্জনক প্রেক্ষাপট তৈরি হয়েছে, যার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান মিত্র সৌদি আরবও মারাত্মক চাপের মুখে রয়েছে। মূলত গত আগস্ট মাসে তুরস্ক, পাকিস্তান এবং সৌদি আরব মিলে এই মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করেছিল।

এই ত্রিপক্ষীয় চুক্তি অনুযায়ী, সদস্যদেশগুলোর যেকোনো একটির ওপর যদি কোনো সশস্ত্র হামলা চালানো হয়, তবে তাকে বাকি সব সদস্যের ওপর হামলা হিসেবেই গণ্য করা হবে। রয়টার্সের সংগ্রহ করা ওই চুক্তির মূল পাঠ্য অনুযায়ী, এর প্রথম অনুচ্ছেদে পরিষ্কার উল্লেখ রয়েছে যে, সদস্যদেশগুলোর নিজ নিজ ভূখণ্ডের অখণ্ডতা, সার্বভৌমত্ব কিংবা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সীমান্তের প্রতি কোনো ধরনের হুমকি তৈরি হলে তা দূর করতে দেশগুলো তাদের ‘সব প্রয়োজনীয় উপায়’ প্রয়োগ করবে। ইতিমধ্যে এই চুক্তিটি অনুমোদনের জন্য তুরস্কের পার্লামেন্টে গত সপ্তাহে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে যা বর্তমানেও চলমান রয়েছে। অন্যদিকে, পাকিস্তান গত সপ্তাহেই আনুষ্ঠানিকভাবে এই চুক্তি অনুমোদন করেছে।

সূত্র: আজকের পত্রিকা


নিউজটি পোস্ট করেছেন : জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
আংশিক মেঘলা থাকবে ঢাকার আকাশ

আংশিক মেঘলা থাকবে ঢাকার আকাশ