নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
লাল হিট জনতা পার্টির জন্ম হয়েছে মূলত গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা সুরক্ষার লক্ষ্যকে সামনে রেখেই। দলটির পক্ষ থেকে ভাটনগর এমনটাই দাবি করেছেন। তাঁর কড়া অভিযোগ, ককরোচ জনতা পার্টির আয়োজিত বিভিন্ন বিক্ষোভের মূল অভিসন্ধি হলো সাধারণ মানুষের মনে পুলিশ বিভাগ ও প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কার্যালয়ের প্রতি আস্থাহীনতা তৈরি করা। তিনি আরও জোরালোভাবে দাবি করেন যে, কংগ্রেস এবং অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন বা এআইএসএ যৌথভাবে সিজেপি বা ককরোচ জনতা পার্টিকে নানাভাবে সমর্থন জুগিয়ে চলেছে। ভাটনগরের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, এই সমস্ত বিরোধী গোষ্ঠীর একমাত্র লক্ষ্য হলো বর্তমান বিজেপি সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে নিজেদের অনুকূলে সরকার গঠন করা।
কেন্দ্রীয় প্রশাসনের ভূমিকা প্রসঙ্গে ভাটনগর মন্তব্য করেন যে, বর্তমান সরকারের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক উদ্যোগের সঠিক মূল্যায়ন করা উচিত একমাত্র তথ্য ও প্রমাণের ভিত্তিতে। তাঁর সুনির্দিষ্ট অভিযোগ, নির্দিষ্ট কিছু গোষ্ঠী নিজেদের সংকীর্ণ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে দেশের সামগ্রিক পরিবেশ এবং বাণিজ্যিক কার্যক্রমের মারাত্মক ক্ষতিসাধন করছে।
ককরোচ জনতা পার্টির সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড ও বিক্ষোভের তীব্র সমালোচনা করে তিনি দ্ব্যর্থহীন ভাষায় জানান যে, তাদের এই ধরনের বিক্ষোভে দেশের রাজনীতিতে কোনো ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না।
বিক্ষোভ প্রদর্শনের সময় কর্তব্যরত পুলিশ সদস্য ও নিরাপত্তাকর্মীদের সঙ্গে অত্যন্ত অসম্মানজনক ও দুর্ব্যবহার করা হয়েছে বলেও গুরুতর অভিযোগ আনেন ভাটনগর। তিনি নিজের বক্তব্যে উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রতিদিন সূর্য নমস্কার করেন এবং তাঁর ক্ষেত্রে হয়তো মৌখিক অপমান সহ্য করার নজির দেখা যেতে পারে, তবে এর অর্থ এই নয় যে দেশের বাকি সবাইকেই এই ধরনের অপমান নীরবে সহ্য করে যেতে হবে।
ভাটনগরের দ্ব্যর্থহীন ঘোষণা অনুযায়ী, দেশের গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে অকারণে গালিগালাজ করা এবং আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি জনসাধারণের মনে অবিশ্বাস ও সংশয় তৈরি করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, আসন্ন দশেরার পবিত্র দিন থেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র পতন ও অবসান প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যাবে। ভাটনগর এই পুরো ঘটনাটিকে মূলত অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে শুভ শক্তির চূড়ান্ত বিজয় হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর