নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
গত ১৪ অক্টোবর দায়ের করা একটি মামলার সূত্র ধরে চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার ও অপরাধী গ্রেফতারে নামে পুলিশ। এই ধারাবাহিকতায় ১৭ অক্টোবর পুলিশ চোর চক্রের অত্যন্ত সক্রিয় সদস্য ২৮ বছর বয়সী ইমরান হোসেনকে দুটি চোরাই মোটরসাইকেলসহ গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
পরবর্তীতে আসামি ইমরান হোসেনের দেওয়া সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে জোরারগঞ্জ থানা অঞ্চলে পুলিশ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। ওই অভিযান চলাকালে চক্রের কাছ থেকে আরও চারটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা সম্ভব হয়।
ইমরানকে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্যের সূত্র ধরে পরবর্তীতে নোয়াখালী জেলার চরজব্বর থানা এবং চট্টগ্রামের মিরসরাই থানা এলাকায় যৌথভাবে অভিযান চালানো হয়। এসব অভিযান পরিচালনা করে আরও দুটি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয় বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত তুলে ধরে মো. হাবিবুর রহমান জানান যে, চক্রের সদস্য সুমনকে প্রথমে গ্রেফতার করা হয়েছিল। সুমনের দেওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই করে চট্টগ্রাম ও নোয়াখালীর বিভিন্ন থানায় ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনা করা হয়।
উক্ত বিভিন্ন স্থানের সফল অভিযানে আরও চারজন নতুন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়। এ ছাড়া ধৃত আসামিদের হেফাজত এবং দেখানো স্থান থেকে মোট ছয়টি মোটরসাইকেল উদ্ধার করতে সক্ষম হয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর