নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
নীলফামারী সদর, ডিমলা, জলঢাকা ও কিশোরগঞ্জ উপজেলার সেচ প্রকল্পের আওতায় বসবাসকারী আবুল কালাম, মাসুদ রানা, জমির আলী, লিটন সরকার, হামিদুর রহমান এবং জিয়াউর রহমানসহ প্রায় ত্রিশজন চাষি এই বিষয়ে গভীর দুশ্চিন্তা প্রকাশ করেছেন।
তাঁরা জানিয়েছেন যে, সেচ খালের রাস্তা ভেঙে প্রায়ই কৃষিজমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এছাড়া অতিরিক্ত ভারী গাড়ি যাতায়াতের কারণে তিস্তা সেচ প্রকল্পের পরিদর্শন সড়কটি নতুন করে ধ্বংস হচ্ছে।
এই রাস্তাটি ভেঙে গেলে সম্পূর্ণ সেচ কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ার শঙ্কা রয়েছে। এর ফলে স্থানীয় অসংখ্য চাষিকে মারাত্মক আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হবে।
পাউবোর নীলফামারী দপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী রেজা মাহমুদ জানিয়েছেন, অবৈজ্ঞানিক উপায়ে নদীর তলদেশ খনন করা হলে এবং খালের বাঁধের ওপর ভারী পরিবহন চললে পানি নিষ্কাশন ও সেচকাঠামো দুটোই হুমকির মুখে পড়বে।
দ্রুত ডাম্প ট্রাক চলাচল এবং অবৈধভাবে বালু তোলা বন্ধ করা না গেলে বিশাল অংকের সরকারি সম্পদ টিকিয়ে রাখা কষ্টকর হবে বলে তিনি সতর্ক করেছেন।
চুক্তির শর্ত অমান্য করা হলে আইন অনুযায়ী লিজ বাতিল এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের নিয়ম রয়েছে। যদিও স্থানীয় বাসিন্দাদের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, জলঢাকা উপজেলা প্রশাসনের কার্যক্রম কেবল সতর্কবার্তার মাঝেই সীমাবদ্ধ রয়েছে।
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর