ঢাকা | বঙ্গাব্দ

ক্ষতিপূরণ তহবিলের সহায়তার প্রথম আবেদন নেপালের

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Oct 24, 2026 ইং
ক্ষতিপূরণ তহবিলের সহায়তার প্রথম আবেদন নেপালের ছবির ক্যাপশন:
ad728

নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর

বিশ্বের প্রথম রাষ্ট্র হিসেবে জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ক্ষতিপূরণ বা 'লস অ্যান্ড ড্যামেজ' তহবিলের সহায়তা পেতে আনুষ্ঠানিক আবেদন করেছে নেপাল। গত ৩১ আগস্ট দেশটির সরকার এই বৈশ্বিক তহবিলের কাছে দুই কোটি মার্কিন ডলার বরাদ্দের অনুরোধ জানিয়ে একটি চিঠি পাঠায়।

সম্প্রতি চীনের তিব্বত সীমান্তসংলগ্ন নেপালের বেশ কিছু শহর ও গ্রামাঞ্চলে আকস্মিক ভয়াবহ বন্যা আঘাত হানে। প্রাকৃতিক এই দুর্যোগের ফলে অসংখ্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্প, যাতায়াতের রাস্তাঘাট এবং বসতবাড়ি পানির স্রোতে ভেসে গিয়ে পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে।

দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতির কারণে প্রায় ১৫ হাজার পরিবারের মোট ৬০ হাজার মানুষ সরাসরি মারাত্মক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছেন। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, এই আকস্মিক বন্যায় ইতোমধ্যে অন্তত ১ হাজার ৫০০ মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন এবং ৫ হাজারের অধিক ব্যক্তি এখন পর্যন্ত নিখোঁজ রয়েছেন।

জাতিসংঘের তহবিলে পাঠানো চিঠিতে দেশটির অর্থমন্ত্রী ড. স্বর্ণিম ওয়াগলে উল্লেখ করেছেন যে, নেপাল একটি স্বল্পোন্নত এবং জলবায়ু পরিবর্তনের মারত্মক ঝুঁকিতে থাকা রাষ্ট্র। তিনি জানান, বিশ্বজুড়ে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনে তাদের নিজেদের ভূমিকা অত্যন্ত নগণ্য হলেও জলবায়ু পরিবর্তনের অনিয়ন্ত্রিত ও নেতিবাচক প্রভাবগুলো তাদের একাই মোকাবিলা করতে হচ্ছে।

এদিকে সরকারের চাওয়া এই আর্থিক সহায়তা নিয়ে নেপালের স্থানীয় জলবায়ু আন্দোলনকর্মীদের একটি অংশের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা গেছে। দেশটির সাবেক সংসদ সদস্য ও বিশিষ্ট জলবায়ু আন্দোলনকর্মী রাজেন্দ্র বাগজাইন দুই কোটি ডলারের এই বরাদ্দকে মানুষের দাঁতের ফাঁকে আটকে থাকা সামান্য খাদ্যের কণার সঙ্গে তুলনা করেছেন।

তাঁর মতে, জাতিসংঘের এই আর্থিক সহায়তা কোনোভাবেই পর্যাপ্ত ত্রাণ হিসেবে গণ্য হতে পারে না, বরং এটি দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত সাধারণ মানুষের সঙ্গে একপ্রকারের অপমানজনক আচরণ।

সূত্র: আজকের পত্রিকা


নিউজটি পোস্ট করেছেন : জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
বৈঠক ভালো হয়েছে : মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী

বৈঠক ভালো হয়েছে : মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী