নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
জনবসতি ও ফসলি জমির নিরাপত্তা বিপন্ন করে অবৈধভাবে জলাধারের তীরের মাটি বিক্রির ঘটনায় তীব্র বিরক্তি প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্য।
ফটিকছড়ি উপজেলার সুয়াবিল ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ভাঙাপুল এলাকার হামিদ মেম্বারসংলগ্ন ফণী খালের তীর খনন করে মাটি সরিয়ে নেওয়ার মারাত্মক এই অনিয়ম ধরা পড়েছে।
এই অপকর্মের পেছনে স্থানীয়ভাবে পরিচিত মালেক মেম্বার এবং রুবেলসহ কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তির সরাসরি সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে এলাকাবাসী জানিয়েছেন।
সার্বক্ষণিক ভারী যানবাহনে করে জলাধারের তীরের মাটি পাচার করা হচ্ছে এবং তা দিয়ে আশপাশের বিভিন্ন চাষের জমি ও আবাসিক ভিটা উঁচু করার কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে।
এই হীন কর্মকাণ্ডের ফলে খালের দুই তীরের প্রাকৃতিক সুরক্ষা নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি আশেপাশের অসংখ্য বসতবাড়ি ও আবাদি জমি মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রবল আশঙ্কা তৈরি হয়েছে যে, বর্তমানের মতো এভাবে অব্যাহতভাবে পাড় ভাঙা চলতে থাকলে আসন্ন বর্ষাকালে প্রবল স্রোতে তাদের ঘরবাড়ি ও কৃষিজমি নদীর গর্ভে চিরতরে তলিয়ে যেতে পারে।
জনসাধারণের এমন উৎকণ্ঠার মধ্যেই সরোয়ার আলমগীর স্পষ্ট নির্দেশ দিয়ে বলেন যে অপরাধীদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে মামলা দায়ের করতে হবে এবং তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে সাধারণ মানুষের বসতবাড়ির ভিত্তিপ্রস্তর পর্যন্ত কেটে নিয়ে যাওয়ার মতো এত বড় ধৃষ্টতা যারা দেখিয়েছে, তাদের এমন অপরাধের পুনরাবৃত্তি রোধে কঠোর শাস্তির বিকল্প নেই।
সূত্র: আজকের পত্রিকা
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর